পুলিশ কোনো লাঠিয়াল বাহিনী নয়, হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজশাহী প্রতিনিধি :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 10:20 PM
পুলিশ কোনো লাঠিয়াল বাহিনী নয়, হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়, বরং পুলিশ হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রাষ্ট্রের এই রূপান্তরকালে পুলিশ সদস্যদের সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
রবিবার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর সারদাস্থ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের (১ম পর্যায়) ছয় মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ ১৮ বছরের বঞ্চনা ও নিপীড়নের পর এই কর্মকর্তাদের ফিরে আসাকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর আপনারা আপনাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছেন। এই বঞ্চনার প্রেক্ষাপটে জাতির যে সুউচ্চ প্রত্যাশা, তা পূরণে কর্মকর্তাদের নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”
বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার এখন এই বাহিনীকে একটি আধুনিক, সেবাধর্মী ও মানবিক সংস্থায় রূপান্তর করতে বদ্ধপরিকর। এজন্য পুলিশ বাহিনীতে ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি চালু করা হয়েছে, যেখানে ভালো কাজের জন্য স্বীকৃতি এবং অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আইনের চোখে সবাই সমান—সেটি কোনো রাজনৈতিক কর্মী হোক বা প্রান্তিক কৃষক।” থানায় আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সাইবার অপরাধ দমনে কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ কারিগরি জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সাঈদ চাঁদ, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, সারদা বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ জি এম আজিজুর রহমান এবং বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।
সহকারী পুলিশ সুপার ড. মো. নুরুল হুদা ভূঁইয়া প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী পুলিশ সদস্যদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি অভিবাদন গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে শপথ গ্রহণ শেষে প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সহকারী পুলিশ সুপারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মন্ত্রী।
রাজশাহী প্রতিনিধি :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 10:20 PM
পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়, বরং পুলিশ হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রাষ্ট্রের এই রূপান্তরকালে পুলিশ সদস্যদের সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
রবিবার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর সারদাস্থ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের (১ম পর্যায়) ছয় মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ ১৮ বছরের বঞ্চনা ও নিপীড়নের পর এই কর্মকর্তাদের ফিরে আসাকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর আপনারা আপনাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছেন। এই বঞ্চনার প্রেক্ষাপটে জাতির যে সুউচ্চ প্রত্যাশা, তা পূরণে কর্মকর্তাদের নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”
বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার এখন এই বাহিনীকে একটি আধুনিক, সেবাধর্মী ও মানবিক সংস্থায় রূপান্তর করতে বদ্ধপরিকর। এজন্য পুলিশ বাহিনীতে ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি চালু করা হয়েছে, যেখানে ভালো কাজের জন্য স্বীকৃতি এবং অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আইনের চোখে সবাই সমান—সেটি কোনো রাজনৈতিক কর্মী হোক বা প্রান্তিক কৃষক।” থানায় আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সাইবার অপরাধ দমনে কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ কারিগরি জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সাঈদ চাঁদ, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, সারদা বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ জি এম আজিজুর রহমান এবং বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।
সহকারী পুলিশ সুপার ড. মো. নুরুল হুদা ভূঁইয়া প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী পুলিশ সদস্যদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি অভিবাদন গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে শপথ গ্রহণ শেষে প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সহকারী পুলিশ সুপারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মন্ত্রী।