সামাজিক মিলনমেলা নাকি পুনর্বাসনের চেষ্টা: ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের নৌভ্রমণ ঘিরে বিতর্কের ঝড়
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 10:38 PM
সামাজিক মিলনমেলা নাকি পুনর্বাসনের চেষ্টা: ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের নৌভ্রমণ ঘিরে বিতর্কের ঝড়
গাজীপুর মহানগরের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক সামাজিক নৌভ্রমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। গত শনিবার (১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ওই নৌভ্রমণে স্থানীয় সাবেক বিতর্কিত ও চিহ্নিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকতে দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তীব্র সমালোচনা।
ফেসবুকের একাধিক আইডি ও স্থানীয়দের দাবিমতে, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে রাজপথে বিরোধী দলের ওপর চড়াও হওয়া কয়েকজন ব্যক্তি এই নৌভ্রমণে বেশ সানন্দে অংশ নেন। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ অমান্য করে এবং সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের তোয়াক্কা না করে কীভাবে তাদেরকে একটি সামাজিক মঞ্চে স্থান দেওয়া হলো—এ নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক ভুক্তভোগী ও ত্যাগী কর্মী।
তবে বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন গাছা মেট্রো থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন। তিনি এবং তাঁর অনুসারীদের দাবি, এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না; বরং এটি ছিল ওয়ার্ডবাসীর একটি নিছক সামাজিক অনুষ্ঠান। ওয়ার্ডবাসীর আমন্ত্রণে অতিথি হিসেবে তিনি সেখানে যোগ দিয়েছিলেন।
এই বিষয়ে মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “গত ১৭ বছর আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নের চরম শিকার হয়েছি। তবে যারা সরাসরি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিষয়ে বিএনপি কোনো ছাড় দেবে না। কিন্তু যারা অতীতে আওয়ামী লীগের সমর্থক থাকলেও সমাজে গ্রহণযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ—তাদের গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে একটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাজ করা হচ্ছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি হিংসামুক্ত, বৈষম্যহীন ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার যে বার্তা দিচ্ছেন, আমি সমাজের সব স্তরের মানুষের মাঝে সেই বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। একটি বিশেষ মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামাজিক অনুষ্ঠানটিকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে আমাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”
এদিকে স্থানীয় ত্যাগী নেতাকর্মী ও বাসিন্দাদের একাংশ বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁদের মতে, বিগত দিনে যাদের নির্যাতনে মানুষ অতিষ্ঠ ছিল, হুট করে কোনো জবাবদিহিতা ছাড়া ‘সামাজিক সম্প্রীতির’ অজুহাতে তাদের এভাবে সঙ্গে নিয়ে ঘোরাফেরা করাটা দলের মূল স্পিরিটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সামাজিক মিলনমেলার আড়ালে এটি অপরাধীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা নাকি প্রকৃত অর্থেই সহিংসতামুক্ত সমাজ গড়ার উদ্যোগ—তা নিয়ে এখন গাজীপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা-সমালোচনার পারদ ক্রমশ বাড়ছে।
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 10:38 PM
গাজীপুর মহানগরের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক সামাজিক নৌভ্রমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। গত শনিবার (১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ওই নৌভ্রমণে স্থানীয় সাবেক বিতর্কিত ও চিহ্নিত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকতে দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তীব্র সমালোচনা।
ফেসবুকের একাধিক আইডি ও স্থানীয়দের দাবিমতে, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে রাজপথে বিরোধী দলের ওপর চড়াও হওয়া কয়েকজন ব্যক্তি এই নৌভ্রমণে বেশ সানন্দে অংশ নেন। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ অমান্য করে এবং সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের তোয়াক্কা না করে কীভাবে তাদেরকে একটি সামাজিক মঞ্চে স্থান দেওয়া হলো—এ নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক ভুক্তভোগী ও ত্যাগী কর্মী।
তবে বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন গাছা মেট্রো থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন। তিনি এবং তাঁর অনুসারীদের দাবি, এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না; বরং এটি ছিল ওয়ার্ডবাসীর একটি নিছক সামাজিক অনুষ্ঠান। ওয়ার্ডবাসীর আমন্ত্রণে অতিথি হিসেবে তিনি সেখানে যোগ দিয়েছিলেন।
এই বিষয়ে মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “গত ১৭ বছর আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নের চরম শিকার হয়েছি। তবে যারা সরাসরি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিষয়ে বিএনপি কোনো ছাড় দেবে না। কিন্তু যারা অতীতে আওয়ামী লীগের সমর্থক থাকলেও সমাজে গ্রহণযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ—তাদের গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে একটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাজ করা হচ্ছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি হিংসামুক্ত, বৈষম্যহীন ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার যে বার্তা দিচ্ছেন, আমি সমাজের সব স্তরের মানুষের মাঝে সেই বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। একটি বিশেষ মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামাজিক অনুষ্ঠানটিকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে আমাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”
এদিকে স্থানীয় ত্যাগী নেতাকর্মী ও বাসিন্দাদের একাংশ বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁদের মতে, বিগত দিনে যাদের নির্যাতনে মানুষ অতিষ্ঠ ছিল, হুট করে কোনো জবাবদিহিতা ছাড়া ‘সামাজিক সম্প্রীতির’ অজুহাতে তাদের এভাবে সঙ্গে নিয়ে ঘোরাফেরা করাটা দলের মূল স্পিরিটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সামাজিক মিলনমেলার আড়ালে এটি অপরাধীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা নাকি প্রকৃত অর্থেই সহিংসতামুক্ত সমাজ গড়ার উদ্যোগ—তা নিয়ে এখন গাজীপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা-সমালোচনার পারদ ক্রমশ বাড়ছে।