ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু

সিরাজগঞ্জে বাড়ছে যমুনার পানি, বেরিবাঁধে ধস

#
news image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে আবারও বাড়তে শুরু করেছে। পানি বাড়ায় চৌহালী উপজেলার জোতপাড়া নদীর ঘাটের পশ্চিমে অবস্থিত বেড়ি বাঁধের দুইটি স্থানে অন্তত ৪৫ মিটার এলাকার ব্লক নদীতে ধসে গেছে। এ ঘটনায় নদীতীরের বসতিদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। খবর পেয়ে আজ সোমবার দুপুরে ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাঁধ ধসের খবর পেয়ে আজ দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জোতপাড়া নদীর ঘাটের পশ্চিমে চৌদ্দরশি এলাকার দুইটি স্থানের একটিতে প্রায় ৩৫ মিটার এবং পাশের আরেকটি স্থানে ৭/৮ মিটার এলাকার বেড়ি বাঁধের ব্লক নদীতে ধসে গেছে। বিষয়টি সিরাজগঞ্জ পাউবোর কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। আশা করছি, তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাঁধ ধসরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, আমরা চৌহালী উপজেলার বাঁধ ধসের স্থান দেখতে যাচ্ছি। আতঙ্কের কিছু নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁধ ধসরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিকে, যমুনা নদীর পানি আবারও বাড়ায় সিরাজগঞ্জের ৫টি উপজেলা কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুরের নদীতীরের নিম্নাঞ্চলে নদীর পানি প্রবেশ করছে।

এসব এলাকার আবাদি জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। নদীতীরের এসব এলাকার বসতিদের মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেনসোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১১০ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে নদীতে পানি বাড়লেও এই মুহূর্তে বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন পাউবোর এই কর্মকর্তা।

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  4:04 PM

news image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে আবারও বাড়তে শুরু করেছে। পানি বাড়ায় চৌহালী উপজেলার জোতপাড়া নদীর ঘাটের পশ্চিমে অবস্থিত বেড়ি বাঁধের দুইটি স্থানে অন্তত ৪৫ মিটার এলাকার ব্লক নদীতে ধসে গেছে। এ ঘটনায় নদীতীরের বসতিদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। খবর পেয়ে আজ সোমবার দুপুরে ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাঁধ ধসের খবর পেয়ে আজ দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জোতপাড়া নদীর ঘাটের পশ্চিমে চৌদ্দরশি এলাকার দুইটি স্থানের একটিতে প্রায় ৩৫ মিটার এবং পাশের আরেকটি স্থানে ৭/৮ মিটার এলাকার বেড়ি বাঁধের ব্লক নদীতে ধসে গেছে। বিষয়টি সিরাজগঞ্জ পাউবোর কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। আশা করছি, তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাঁধ ধসরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, আমরা চৌহালী উপজেলার বাঁধ ধসের স্থান দেখতে যাচ্ছি। আতঙ্কের কিছু নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁধ ধসরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিকে, যমুনা নদীর পানি আবারও বাড়ায় সিরাজগঞ্জের ৫টি উপজেলা কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুরের নদীতীরের নিম্নাঞ্চলে নদীর পানি প্রবেশ করছে।

এসব এলাকার আবাদি জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। নদীতীরের এসব এলাকার বসতিদের মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেনসোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১১০ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে নদীতে পানি বাড়লেও এই মুহূর্তে বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন পাউবোর এই কর্মকর্তা।