ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

বানারীপাড়ায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই ঘটনাকে থানা ও  আদালতে ভিন্ন ভিন্ন রূপে মামলা দায়ের

#
news image

বরিশালের বানারীপাড়ায় প্রতিপক্ষকে মিথ্যে মামলায় ফাসাতে নেক্কারজনক পথ বেছে নিয়েছে একটি পক্ষ।

উপজেলার ৪ নং চাখার ইউনিয়নের চালিতাবাড়ি গ্রামের আকাব্বার হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন, হেমায়েত ও  জিয়া পরিকল্পিতভাবে আলী আহম্মেদের মেয়ে রানুু বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব বেপারীর ছেলে রুবেল, সুন্দর আলী বেপারীর ছেলে মোস্তফা বেপারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাবের স্ত্রী জাহানার বেগমকে বিবাদী করে বানারীপাড়া থানায় ও বরিশাল কোর্টে ১১ জনকে বিবাদী করে ভিন্ন ভিন্ন ধারায় দুইটি মামলা দায়ের করে।

একই তারিখের ঘটনায় বানারীপাড়া থানা ও বরিশাল আদালতে দুই ধরনের অভিযোগ বিষয়টি মিথ্যার আশ্রয় প্রমাণিত হয়।

উল্লেখ্য গত ৭ অক্টোবর রানু বেগমের বসত ঘরের চারপাশে জাকির হোসেন গং'রা কিছু মালামাল রেখে রানু বেগমের বসত ঘরটি দখলের চেষ্টায় লিপ্ত থাকে, পরবর্তীতে ঘরের পাশে রাখা মালামালের ভিডিও ধারণ করে প্রমাণ করতে চায় রানু বেগম বসত ঘর থেকে মালামাল বের করে দিয়েছে এবং সেই অভিযোগ এনে জাকির হোসেন বাদী হয়ে রানুু বেগম, রুবেল, মোস্তফা বেপারী ও  জাহানার বেগমকে বিবাদী করে বানারীপাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগে উল্লেখ থাকে ৮ই অক্টোবর সকাল ১০ ঘটিকায় জাকির হোসেনের বসত ঘরের মালামাল বের করে রানু বেগম সহ বিবাদিরা জোর পূর্বক দখল করে এবং তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের খুন জখমের হুমকি দেয়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পরের দিন ৯ অক্টোবর বানারীপাড়া থানার এ এস আই মাহফুজ অভিযোগ তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে গেলে রানু বেগমকে তার বসত ঘরে অবস্থান করতে দেখেন। রানু বেগমের সাথে কথা বলতে ঘরে প্রবেশ করলে জাকির-গংরা জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে হট্টগোলের সৃষ্টি করে। 

উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে এ এসআই মাহফুজ দুই পক্ষকে বের করে ঘরটি তালাবদ্ধ করে  চাবি নিয়ে যান এবং পরের দিন শুক্রবার দুই পক্ষকে থানায় আসতে বলেন। বিবাদী পক্ষরা উপস্থিত হলেও বাদীপক্ষরা উপস্থিত হননি।   

এই ঘটনার পূর্বে  রানু বেগমকে প্রতিপক্ষ জাকির গংরা ঘর থেকে বের করে দিতে পারে এমন আশঙ্কায় রানু বেগম বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে এমপি কেস নং ১৫৫৫ / ২০২৫  ফৌজদারি দন্ডবিধি ১৪৪ / ১৪৫ ধারায় অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ  ৪১৭৬ স্মারকে নালিশি জমিতে আইন-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কোন কার্যকলাপ করবে না মর্মে রানু বেগমের অনুকূলে ১৪৪/১৪৫ জারি করে নোটিশ প্রদান করেন।

বানারীপাড়া থানা পুলিশ নোটিশ প্রাপ্ত ১২ই অক্টোবর এ এসআই মাহফুজ ঘটনাস্থলে গিয়ে রানু বেগমের হাতে চাবি বুঝিয়ে দিয়ে আসেন এবং রানু বেগমের ঘরে নোটিশ লটকে দিয়ে আসেন এবং উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে বলেন। নোটিশ প্রাপ্তির দিন জাকির গংরা পুনরায় রানু বেগমদের সাথে  সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু এএসআই মাহফুজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কিন্তু পরের দিন ১২ অক্টোবর  ৮ তারিখে বানারীপাড়া থানায় দায়েরকৃত অভিযোগটির ঘটনার সাথে শ্লীলতাহানীর  চেষ্টা এবং ভাঙচুর্র, লুটপাতের  অভিযোগ সংযুক্ত করে বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে একটি মিথ্যে  মামলা দায়ের করেন। অথচ ওই একইদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বানারীপাড়া থানায় যে অভিযোগ হয়েছিল সেখানে শ্রীলতাহানী  কিংবা অন্যান্য অভিযোগের কোন তথ্য ছিল না। ভুক্তভোগীরা এখানে প্রশ্ন রেখে গেছেন যে একই ঘটনায় বানারীপাড়া থানায় এক ধরনের অভিযোগ এবং বরিশাল আদালতে অন্য ধরনের অভিযোগ দায়ের করেন আলী আকাব্বার এর ছেলে জাকির হোসেন। উপরন্ত ১৩ই অক্টোবর ভিডিও ফুটেছে প্রমাণ করে জাকির হোসেন, হেমায়েত, জিয়া, রোকেয়া বেগম, ফজিলা, তৈয়ব, মিরাজ সহ অন্যান্যরা মিলে ১৩ই অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯ ঘটিকায় সোহরাব বেপারীর স্ত্রী জাহানারা বেগম ও আলী আহমেদের মেয়ের রানু বেগমকে বেদরক মারধর করে। অথচ বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে রোকেয়া বেগম এবং ফজিলা বেগম আহত হওয়ার  নাটক সাজিয়ে বানারীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।

সিসি ফুটেজ ক্যামেরা দেখা যায় রোকেয়া বেগম ও ফজিলা বেগম পান খেতে খেতে  বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে রাস্তায় এসে দাড়ায়, তারপর বসে পড়ে, তারপর রাস্তায় শুয়ে পড়ে। এরপর তার স্বজনরা গাড়িতে  করে বানারীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ভর্তি করায়।

প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী পনির বেপারী বলেন আমি এসে দেখি দুইজন কথা বলতেছে। কিছুক্ষণ পর একজন বসে পড়লো, বসে পড়ার পর শুয়ে পরলো। তাদের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। অপর প্রত্যক্ষ সাক্ষীরা আসাদুল ও রীনা বেগম বলেন আমরা তাদের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন দেখিনি। মাথায় কোন কোপের দাগও দেখিনি।

অন্য এক প্রত্যক্ষ সাক্ষী চিরাপাড়ার খা বাড়ির মিলন বলেন আমি এই দুজনকে এসে কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি। তারপর দেখলাম একজন হঠাৎ বসে পড়ছে। তারপর দেখলাম সে শুয়ে পরলো অন্যজনও বসে পরলো। তবে তাদের মাথায় কিংবা মুখমন্ডলে কোনো রক্তাক্ত চিহ্ন দেখা যায়নি। পাশাপাশি সিসি ফুটেছে এও দেখা যায় যে জাহানারা বেগম এবং রানু বেগমকে টেনে হেছরে ঘর থেকে বের করে কিভাবে মারধর করা হয়। একটি ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার জন্য এবং মিথ্যে মামলা সাজাবার জন্য বিভিন্ন ধরনের অপকৌশলের পদ বেছে নিয়েছে জাকির গংরা।

রানু বেগম চিকিৎসা শেষে  বাড়িতে এসে দেখে তার বসতঘরের মালামাল লুটপাত করে সেই ঘরে জাকির গংরা অবস্থান করছে। কান্নাজনিত কণ্ঠে রানু বেগম বলেন আমার শরীরে শুধু একটি কাপড় রয়েছে আর কোন কিছু আমার নাই। আমি এখন কোথায় যাবো কোথায় থাকবো।

মামলার আসামি রুবেল বলেন ঘটনার দিন আমি ঢাকায় ছিলাম যার বিভিন্ন প্রমাণাদি আমার কাছে রয়েছে তারপরও আমাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

 অন্য এক আসামী জাহিদ, সে শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকায় চাকুরি করে । সেও বলেন আমি ঢাকায় আমার কর্মস্থলে ছিলাম যার প্রমানাধি ও  হাজিরা আমার কর্মস্থলে রয়েছে।

এদিকে জাকির গংরা জামিনে বেরিয়ে এসে রুবেলের বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে এবং মুরগির খোপ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন রুবেল সহ তার পরিবার।

তারা আরো জানান ২০২৪ সালের ৬ই আগস্ট এর পর জাকির গংরা রানু বেগমকে বেদরক মারধর করে। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এবং মামলার আসামি রানুু বেগম, রুবেল, মোস্তফা বেপারী ও  জাহানার বেগমসহ অন্যান্য আসামিরা  বিষয়টি সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দ্বারস্থ করার দাবী জানিয়েছেন।

বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি :

২০ অক্টোবর, ২০২৫,  10:09 PM

news image

বরিশালের বানারীপাড়ায় প্রতিপক্ষকে মিথ্যে মামলায় ফাসাতে নেক্কারজনক পথ বেছে নিয়েছে একটি পক্ষ।

উপজেলার ৪ নং চাখার ইউনিয়নের চালিতাবাড়ি গ্রামের আকাব্বার হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন, হেমায়েত ও  জিয়া পরিকল্পিতভাবে আলী আহম্মেদের মেয়ে রানুু বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব বেপারীর ছেলে রুবেল, সুন্দর আলী বেপারীর ছেলে মোস্তফা বেপারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাবের স্ত্রী জাহানার বেগমকে বিবাদী করে বানারীপাড়া থানায় ও বরিশাল কোর্টে ১১ জনকে বিবাদী করে ভিন্ন ভিন্ন ধারায় দুইটি মামলা দায়ের করে।

একই তারিখের ঘটনায় বানারীপাড়া থানা ও বরিশাল আদালতে দুই ধরনের অভিযোগ বিষয়টি মিথ্যার আশ্রয় প্রমাণিত হয়।

উল্লেখ্য গত ৭ অক্টোবর রানু বেগমের বসত ঘরের চারপাশে জাকির হোসেন গং'রা কিছু মালামাল রেখে রানু বেগমের বসত ঘরটি দখলের চেষ্টায় লিপ্ত থাকে, পরবর্তীতে ঘরের পাশে রাখা মালামালের ভিডিও ধারণ করে প্রমাণ করতে চায় রানু বেগম বসত ঘর থেকে মালামাল বের করে দিয়েছে এবং সেই অভিযোগ এনে জাকির হোসেন বাদী হয়ে রানুু বেগম, রুবেল, মোস্তফা বেপারী ও  জাহানার বেগমকে বিবাদী করে বানারীপাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগে উল্লেখ থাকে ৮ই অক্টোবর সকাল ১০ ঘটিকায় জাকির হোসেনের বসত ঘরের মালামাল বের করে রানু বেগম সহ বিবাদিরা জোর পূর্বক দখল করে এবং তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের খুন জখমের হুমকি দেয়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পরের দিন ৯ অক্টোবর বানারীপাড়া থানার এ এস আই মাহফুজ অভিযোগ তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে গেলে রানু বেগমকে তার বসত ঘরে অবস্থান করতে দেখেন। রানু বেগমের সাথে কথা বলতে ঘরে প্রবেশ করলে জাকির-গংরা জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশ করে হট্টগোলের সৃষ্টি করে। 

উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে এ এসআই মাহফুজ দুই পক্ষকে বের করে ঘরটি তালাবদ্ধ করে  চাবি নিয়ে যান এবং পরের দিন শুক্রবার দুই পক্ষকে থানায় আসতে বলেন। বিবাদী পক্ষরা উপস্থিত হলেও বাদীপক্ষরা উপস্থিত হননি।   

এই ঘটনার পূর্বে  রানু বেগমকে প্রতিপক্ষ জাকির গংরা ঘর থেকে বের করে দিতে পারে এমন আশঙ্কায় রানু বেগম বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে এমপি কেস নং ১৫৫৫ / ২০২৫  ফৌজদারি দন্ডবিধি ১৪৪ / ১৪৫ ধারায় অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ  ৪১৭৬ স্মারকে নালিশি জমিতে আইন-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কোন কার্যকলাপ করবে না মর্মে রানু বেগমের অনুকূলে ১৪৪/১৪৫ জারি করে নোটিশ প্রদান করেন।

বানারীপাড়া থানা পুলিশ নোটিশ প্রাপ্ত ১২ই অক্টোবর এ এসআই মাহফুজ ঘটনাস্থলে গিয়ে রানু বেগমের হাতে চাবি বুঝিয়ে দিয়ে আসেন এবং রানু বেগমের ঘরে নোটিশ লটকে দিয়ে আসেন এবং উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে বলেন। নোটিশ প্রাপ্তির দিন জাকির গংরা পুনরায় রানু বেগমদের সাথে  সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু এএসআই মাহফুজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কিন্তু পরের দিন ১২ অক্টোবর  ৮ তারিখে বানারীপাড়া থানায় দায়েরকৃত অভিযোগটির ঘটনার সাথে শ্লীলতাহানীর  চেষ্টা এবং ভাঙচুর্র, লুটপাতের  অভিযোগ সংযুক্ত করে বরিশাল বিজ্ঞ আদালতে একটি মিথ্যে  মামলা দায়ের করেন। অথচ ওই একইদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বানারীপাড়া থানায় যে অভিযোগ হয়েছিল সেখানে শ্রীলতাহানী  কিংবা অন্যান্য অভিযোগের কোন তথ্য ছিল না। ভুক্তভোগীরা এখানে প্রশ্ন রেখে গেছেন যে একই ঘটনায় বানারীপাড়া থানায় এক ধরনের অভিযোগ এবং বরিশাল আদালতে অন্য ধরনের অভিযোগ দায়ের করেন আলী আকাব্বার এর ছেলে জাকির হোসেন। উপরন্ত ১৩ই অক্টোবর ভিডিও ফুটেছে প্রমাণ করে জাকির হোসেন, হেমায়েত, জিয়া, রোকেয়া বেগম, ফজিলা, তৈয়ব, মিরাজ সহ অন্যান্যরা মিলে ১৩ই অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯ ঘটিকায় সোহরাব বেপারীর স্ত্রী জাহানারা বেগম ও আলী আহমেদের মেয়ের রানু বেগমকে বেদরক মারধর করে। অথচ বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে রোকেয়া বেগম এবং ফজিলা বেগম আহত হওয়ার  নাটক সাজিয়ে বানারীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।

সিসি ফুটেজ ক্যামেরা দেখা যায় রোকেয়া বেগম ও ফজিলা বেগম পান খেতে খেতে  বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে রাস্তায় এসে দাড়ায়, তারপর বসে পড়ে, তারপর রাস্তায় শুয়ে পড়ে। এরপর তার স্বজনরা গাড়িতে  করে বানারীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ভর্তি করায়।

প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী পনির বেপারী বলেন আমি এসে দেখি দুইজন কথা বলতেছে। কিছুক্ষণ পর একজন বসে পড়লো, বসে পড়ার পর শুয়ে পরলো। তাদের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। অপর প্রত্যক্ষ সাক্ষীরা আসাদুল ও রীনা বেগম বলেন আমরা তাদের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন দেখিনি। মাথায় কোন কোপের দাগও দেখিনি।

অন্য এক প্রত্যক্ষ সাক্ষী চিরাপাড়ার খা বাড়ির মিলন বলেন আমি এই দুজনকে এসে কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি। তারপর দেখলাম একজন হঠাৎ বসে পড়ছে। তারপর দেখলাম সে শুয়ে পরলো অন্যজনও বসে পরলো। তবে তাদের মাথায় কিংবা মুখমন্ডলে কোনো রক্তাক্ত চিহ্ন দেখা যায়নি। পাশাপাশি সিসি ফুটেছে এও দেখা যায় যে জাহানারা বেগম এবং রানু বেগমকে টেনে হেছরে ঘর থেকে বের করে কিভাবে মারধর করা হয়। একটি ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার জন্য এবং মিথ্যে মামলা সাজাবার জন্য বিভিন্ন ধরনের অপকৌশলের পদ বেছে নিয়েছে জাকির গংরা।

রানু বেগম চিকিৎসা শেষে  বাড়িতে এসে দেখে তার বসতঘরের মালামাল লুটপাত করে সেই ঘরে জাকির গংরা অবস্থান করছে। কান্নাজনিত কণ্ঠে রানু বেগম বলেন আমার শরীরে শুধু একটি কাপড় রয়েছে আর কোন কিছু আমার নাই। আমি এখন কোথায় যাবো কোথায় থাকবো।

মামলার আসামি রুবেল বলেন ঘটনার দিন আমি ঢাকায় ছিলাম যার বিভিন্ন প্রমাণাদি আমার কাছে রয়েছে তারপরও আমাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

 অন্য এক আসামী জাহিদ, সে শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকায় চাকুরি করে । সেও বলেন আমি ঢাকায় আমার কর্মস্থলে ছিলাম যার প্রমানাধি ও  হাজিরা আমার কর্মস্থলে রয়েছে।

এদিকে জাকির গংরা জামিনে বেরিয়ে এসে রুবেলের বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে এবং মুরগির খোপ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন রুবেল সহ তার পরিবার।

তারা আরো জানান ২০২৪ সালের ৬ই আগস্ট এর পর জাকির গংরা রানু বেগমকে বেদরক মারধর করে। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এবং মামলার আসামি রানুু বেগম, রুবেল, মোস্তফা বেপারী ও  জাহানার বেগমসহ অন্যান্য আসামিরা  বিষয়টি সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দ্বারস্থ করার দাবী জানিয়েছেন।