ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের সব স্কুলে পরিমার্জিত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৫ জুন, ২০২৬, 9:19 PM
ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের সব স্কুলে পরিমার্জিত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য পরিমার্জিত ও সংশোধিত নতুন পাঠ্যবই ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের সকল স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হবে। একই সাথে সেশনজট কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথেই শিক্ষার্থীরা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে।
সোমবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে এই ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, কাবিং ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষার আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে ও ঝরে পড়া রোধে আগামী জুলাই মাস থেকেই প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ শুরু করবে সরকার। এছাড়া সারাদেশে ‘মিড ডে মিল’ (দুপুরের খাবার) চালু করা হবে। পাঠদানকে যুগোপযোগী করতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনে কাজ করছে সরকার।
তিনি শিক্ষার্থীদের শুধু চার দেয়ালের মাঝে বন্দি না রেখে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি পাঠ্যক্রম বহির্ভূত বা সহশিক্ষা কার্যক্রমের (এক্সট্রা কারিকুলাম) ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘আগামীর বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আর সে কারণেই বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ প্রদান করেছে।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, স্কুল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আয়োজিত এই পদক প্রতিযোগিতায় দেশজুড়ে প্রায় ২ কোটি ১৮ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। চূড়ান্ত ধাপে জাতীয় পর্যায়ে আসা সেরা ৪০০ জন শিক্ষার্থী মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। শিশুদের দক্ষ ও মানবিক গুণসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে এই মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রতিযোগিতা শেষে মন্ত্রী প্রাথমিক ধাপের বিজয়ী ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আতিকুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৫ জুন, ২০২৬, 9:19 PM
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য পরিমার্জিত ও সংশোধিত নতুন পাঠ্যবই ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের সকল স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হবে। একই সাথে সেশনজট কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথেই শিক্ষার্থীরা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে।
সোমবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে এই ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, কাবিং ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষার আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে ও ঝরে পড়া রোধে আগামী জুলাই মাস থেকেই প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ শুরু করবে সরকার। এছাড়া সারাদেশে ‘মিড ডে মিল’ (দুপুরের খাবার) চালু করা হবে। পাঠদানকে যুগোপযোগী করতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনে কাজ করছে সরকার।
তিনি শিক্ষার্থীদের শুধু চার দেয়ালের মাঝে বন্দি না রেখে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি পাঠ্যক্রম বহির্ভূত বা সহশিক্ষা কার্যক্রমের (এক্সট্রা কারিকুলাম) ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘আগামীর বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আর সে কারণেই বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ প্রদান করেছে।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, স্কুল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আয়োজিত এই পদক প্রতিযোগিতায় দেশজুড়ে প্রায় ২ কোটি ১৮ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। চূড়ান্ত ধাপে জাতীয় পর্যায়ে আসা সেরা ৪০০ জন শিক্ষার্থী মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। শিশুদের দক্ষ ও মানবিক গুণসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে এই মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রতিযোগিতা শেষে মন্ত্রী প্রাথমিক ধাপের বিজয়ী ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আতিকুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।