গত ১৭ বছরই জুলাই আগস্ট ছিল - বিএনপির নেতা জাহিদ
ইমন খান, গাজীপুর প্রতিনিধি :
১৪ জুলাই, ২০২৬, 8:34 PM
গত ১৭ বছরই জুলাই আগস্ট ছিল - বিএনপির নেতা জাহিদ
গত ১৭ বছরই আমাদের জন্য জুলাই আগস্ট ছিল,শুধু ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নয়,বিএনপি'র টানা ১৭ বছরের আন্দোলনের ফলেই ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার বিদায় হয়েছে।
২০২৪ সালের আওয়ামী সরকারের পতনের প্রায় ২ বছরের কাছাকাছি, এরমধ্যে বিএনপি সরকার গঠন করে বাংলাদেশের মানুষের মাঝে আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা করে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
দীর্ঘ ১৭ বছর বিদেশের মাটিতে অবস্থান করে নেতাকর্মীদের আন্দোলন মূখী করে,পরবর্তী সময়ে একদফার দাবি নিয়ে ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার বিদায় নেওয়ার আগ মূহুর্তের স্মৃতিচারণ করেন গাজীপুরের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক কক্ষ বিষয়ক সম্পাদক,গাজীপুর সদর মেট্রো থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক কমিটির সদস্য, গাজীপুর সদর মেট্রো থানা বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর ২৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ২৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ।
গাজীপুর মহানগর বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি ভাইয়ের নির্দেশে আমরা ঢাকার রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম।
জাহিদ বলেন, পুলিশের লাল চক্ষুকে উপেক্ষা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা মামলার নির্যাতনের শিকার হয়েও আমরা এই গাজীপুর থেকে শত শত নেতাকর্মী নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করেছি। জুলাই আগস্টে ঢাকার রাজপথে নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে ছোট ছোট আকারে মিছিল মিটিং করেছি। মরণের পরোয়া না করে জীবন বাজি রেখে দলের জন্য কাজ করেছি।
জাহিদ আরো বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা মেয়র সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যাপক এম এ মান্নান স্যারের হাত ধরে ছাত্র রাজনীতি শুরু করেছি, তাই জীবনের নিরাপত্তা না ভেবে দলের স্বার্থকে বড় করে দেখেছি। আজ অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় যারা দুর্দিন দুঃসময়ে দলের সাথে ছিল না,৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে তারাই এখন সামনের সাড়ির বড় নেতা। আজকের এই দিনে বিএনপি'র শীর্ষ নেতাদের কাছে দাবি থাকবে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়ন করে যথাযথ সম্মানে সম্মানিত করুন। নয়ত দুর্দিন দুঃসময়ে এ হাইব্রিড নেতারা পালিয়ে যাবে লেজ গুটিয়ে, তখন আফসোস করেও ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের ফিরিয়ে আনতে পারবেন না।
ইমন খান, গাজীপুর প্রতিনিধি :
১৪ জুলাই, ২০২৬, 8:34 PM
গত ১৭ বছরই আমাদের জন্য জুলাই আগস্ট ছিল,শুধু ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নয়,বিএনপি'র টানা ১৭ বছরের আন্দোলনের ফলেই ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার বিদায় হয়েছে।
২০২৪ সালের আওয়ামী সরকারের পতনের প্রায় ২ বছরের কাছাকাছি, এরমধ্যে বিএনপি সরকার গঠন করে বাংলাদেশের মানুষের মাঝে আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা করে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
দীর্ঘ ১৭ বছর বিদেশের মাটিতে অবস্থান করে নেতাকর্মীদের আন্দোলন মূখী করে,পরবর্তী সময়ে একদফার দাবি নিয়ে ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার বিদায় নেওয়ার আগ মূহুর্তের স্মৃতিচারণ করেন গাজীপুরের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক কক্ষ বিষয়ক সম্পাদক,গাজীপুর সদর মেট্রো থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক কমিটির সদস্য, গাজীপুর সদর মেট্রো থানা বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর ২৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ২৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ।
গাজীপুর মহানগর বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি ভাইয়ের নির্দেশে আমরা ঢাকার রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম।
জাহিদ বলেন, পুলিশের লাল চক্ষুকে উপেক্ষা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা মামলার নির্যাতনের শিকার হয়েও আমরা এই গাজীপুর থেকে শত শত নেতাকর্মী নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করেছি। জুলাই আগস্টে ঢাকার রাজপথে নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে ছোট ছোট আকারে মিছিল মিটিং করেছি। মরণের পরোয়া না করে জীবন বাজি রেখে দলের জন্য কাজ করেছি।
জাহিদ আরো বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা মেয়র সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্যাপক এম এ মান্নান স্যারের হাত ধরে ছাত্র রাজনীতি শুরু করেছি, তাই জীবনের নিরাপত্তা না ভেবে দলের স্বার্থকে বড় করে দেখেছি। আজ অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় যারা দুর্দিন দুঃসময়ে দলের সাথে ছিল না,৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে তারাই এখন সামনের সাড়ির বড় নেতা। আজকের এই দিনে বিএনপি'র শীর্ষ নেতাদের কাছে দাবি থাকবে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়ন করে যথাযথ সম্মানে সম্মানিত করুন। নয়ত দুর্দিন দুঃসময়ে এ হাইব্রিড নেতারা পালিয়ে যাবে লেজ গুটিয়ে, তখন আফসোস করেও ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের ফিরিয়ে আনতে পারবেন না।