অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামের নতুন অফিস ভবনের একাংশে ধস
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি :
১৪ জুলাই, ২০২৬, 9:05 PM
অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামের নতুন অফিস ভবনের একাংশে ধস
ভারী বর্ষণের কারণে জামালপুরের সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নতুন অফিস ভবনের একাংশ মাটির নিচে দেবে গেছে। একই সঙ্গে ভবনের বাউন্ডারি ওয়ালের একটি অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটিতে এ ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আসাদুজ্জামান খান। এ সময় উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শামছুল হক, সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবিনা খাতুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ২০২২ সালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ শেষ করে ভবনটি খাদ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শামছুল হক বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে ভবনের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নতুন অফিস ভবনের একটি অংশ দেবে গেছে। একই সঙ্গে ভবনের বাউন্ডারি ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং পাশের একটি দেয়ালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আসাদুজ্জামান খান বলেন, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অফিস ভবনটি নদী তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত। টানা ভারী বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবনের নিচের মাটিতে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভবনের অবশিষ্ট অংশও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং সেটিও দেবে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরসনে দ্রুত প্রকৌশলগত তদন্ত, ঝুঁকি মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি :
১৪ জুলাই, ২০২৬, 9:05 PM
ভারী বর্ষণের কারণে জামালপুরের সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নতুন অফিস ভবনের একাংশ মাটির নিচে দেবে গেছে। একই সঙ্গে ভবনের বাউন্ডারি ওয়ালের একটি অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটিতে এ ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আসাদুজ্জামান খান। এ সময় উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শামছুল হক, সরিষাবাড়ী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবিনা খাতুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ২০২২ সালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ শেষ করে ভবনটি খাদ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শামছুল হক বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে ভবনের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নতুন অফিস ভবনের একটি অংশ দেবে গেছে। একই সঙ্গে ভবনের বাউন্ডারি ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং পাশের একটি দেয়ালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আসাদুজ্জামান খান বলেন, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অফিস ভবনটি নদী তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত। টানা ভারী বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবনের নিচের মাটিতে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভবনের অবশিষ্ট অংশও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং সেটিও দেবে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরসনে দ্রুত প্রকৌশলগত তদন্ত, ঝুঁকি মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সম্পর্কিত