ঢাকা ১৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি : ৪ শিক্ষককে শোকজ আইন পেশার অনেকেই শর্টকাটে অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়: অ্যাটর্নি জেনারেল টাইফুন বাভিকে ঘিরে উ. কোরিয়ার সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ বড়লেখায় জনদুর্ভোগ নিরসনে সহকারী কমিশনারের সাথে নিসচা'র মতবিনিময়  দেশের আরও চার পোশাক কারখানা পেল লিড সনদ, সংখ্যা বেড়ে ২৯০ এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের ২৪ বছরের প্রতীক্ষার অবসান, সেমিতে স্পেনের মুখোমুখি ফ্রান্স বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্রগুলো ১৬ জুলাই খুলে দেওয়া হবে বাহুবলে ডিবির অভিযান: পিকআপসহ ১০৫ বোতল মদ জব্দ, আটক ১

১৫ মাস বয়সী শিশুদের ১ আগস্ট থেকে টাইফয়েডের টিকা দেয়া হবে

#
news image

দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) ১৫ মাস বয়সী শিশুদের জন্য এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী এই টিকাদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।

এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও তা বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা দিয়ে দেশের সব বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কাছে বিশেষ চিঠি পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) শাখা থেকে জারি করা এক প্রাতিষ্ঠানিক নির্দেশনায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে জাতীয় টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর জাতীয় টিকাদান কারিগরি পরামর্শক কমিটির (NITAG) সুপারিশ এবং আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটির (ICC) সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে এই টিকা স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৫ মাস বয়সী সকল শিশুকে ইপিআইয়ের স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে এক ডোজ টিসিভি (TCV) প্রদান করা হবে। একই সেশনে এমআর-২ (হাম-রুবেলা দ্বিতীয় ডোজ) টিকার সঙ্গে এই টিকা একযোগে বাম হাতের মাংসপেশিতে দেওয়া যাবে। মাঠকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশু শনাক্ত, টিকার নিখুঁত চাহিদা নির্ধারণ এবং নির্ধারিত সেশনে সবার টিকাদান নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও শিশুদের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় আনার লক্ষ্যে 'ভ্যাক্স : ইপিআই' (Vax: EPI) অ্যাপে নিবন্ধন, টিকা কার্ড ডাউনলোড এবং টিকা প্রদানের পর 'স্মার্ট হেলথ্ বিডি/ই ট্র্যাকার' অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে হালনাগাদ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কোনো শিশুর জন্মনিবন্ধন না থাকলে উপজেলা পর্যায়ের সমন্বয় সভার মাধ্যমে তা সহজীকরণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়মিত এই কর্মসূচিতে ৫ ডোজের ভায়াল ব্যবহার করা হবে এবং ভ্যাকসিন অবশ্যই ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে হবে। মাল্টিডোজ ভায়াল নীতিমালা অনুসরণ করে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে খোলা ভায়াল পরবর্তী সেশনেও ব্যবহার করা যাবে, যাতে ভ্যাকসিনের কোনো অপচয় না হয়।

এদিকে টিকাদানের হার শতভাগ নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতাদের সম্পৃক্ত করে প্রতিটি এলাকায় বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ, মাইকিং, উঠান বৈঠক এবং আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে টাইফয়েড টিকা সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের শিশুদের টাইফয়েডের মতো মারাত্মক জ্বর থেকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও গুরুত্ব দিয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১৪ জুলাই, ২০২৬,  9:16 PM

news image

দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) ১৫ মাস বয়সী শিশুদের জন্য এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী এই টিকাদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।

এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও তা বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা দিয়ে দেশের সব বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কাছে বিশেষ চিঠি পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) শাখা থেকে জারি করা এক প্রাতিষ্ঠানিক নির্দেশনায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে জাতীয় টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর জাতীয় টিকাদান কারিগরি পরামর্শক কমিটির (NITAG) সুপারিশ এবং আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটির (ICC) সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে এই টিকা স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৫ মাস বয়সী সকল শিশুকে ইপিআইয়ের স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে এক ডোজ টিসিভি (TCV) প্রদান করা হবে। একই সেশনে এমআর-২ (হাম-রুবেলা দ্বিতীয় ডোজ) টিকার সঙ্গে এই টিকা একযোগে বাম হাতের মাংসপেশিতে দেওয়া যাবে। মাঠকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশু শনাক্ত, টিকার নিখুঁত চাহিদা নির্ধারণ এবং নির্ধারিত সেশনে সবার টিকাদান নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও শিশুদের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় আনার লক্ষ্যে 'ভ্যাক্স : ইপিআই' (Vax: EPI) অ্যাপে নিবন্ধন, টিকা কার্ড ডাউনলোড এবং টিকা প্রদানের পর 'স্মার্ট হেলথ্ বিডি/ই ট্র্যাকার' অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে হালনাগাদ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কোনো শিশুর জন্মনিবন্ধন না থাকলে উপজেলা পর্যায়ের সমন্বয় সভার মাধ্যমে তা সহজীকরণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়মিত এই কর্মসূচিতে ৫ ডোজের ভায়াল ব্যবহার করা হবে এবং ভ্যাকসিন অবশ্যই ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে হবে। মাল্টিডোজ ভায়াল নীতিমালা অনুসরণ করে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে খোলা ভায়াল পরবর্তী সেশনেও ব্যবহার করা যাবে, যাতে ভ্যাকসিনের কোনো অপচয় না হয়।

এদিকে টিকাদানের হার শতভাগ নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতাদের সম্পৃক্ত করে প্রতিটি এলাকায় বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ, মাইকিং, উঠান বৈঠক এবং আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে টাইফয়েড টিকা সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের শিশুদের টাইফয়েডের মতো মারাত্মক জ্বর থেকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও গুরুত্ব দিয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।