হবিগঞ্জে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন: নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি
এস এম শামীম আহমেদ :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 10:00 PM
হবিগঞ্জে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন: নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি
হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সহকারী পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। বিতর্কিত ফলাফলের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজিএইচএস) এবং সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
গত ৩১ জুলাই (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষার পর প্রকাশিত ফলে বেশ কিছু অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তালিকায় এমন কিছু রোল নম্বর স্থান পেয়েছে, যাদের অনেকেই পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।
রোববার (২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিক সত্যজিৎ দাস বলেন, "এমন অভিযোগ যখন জনমনে স্থান করে নেয়, তখন তা পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতার ওপর প্রশ্ন তোলে। একটি নিয়োগ পরীক্ষার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের বিশ্বাস।"
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও পরিবারের প্রত্যাশা নিয়ে প্রার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। কোনো নির্দোষ প্রার্থী যেন বঞ্চিত না হন এবং কোনো অনিয়ম থাকলে তা যেন আড়ালে না থাকে—সেজন্যই দ্রুত তদন্ত প্রয়োজন। অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে তা-ও তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করার আহ্বান জানানো হয়।
হাজারো প্রার্থীর মেধা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা রক্ষায় বিষয়টিতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনার জন্য কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
এস এম শামীম আহমেদ :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 10:00 PM
হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সহকারী পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। বিতর্কিত ফলাফলের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজিএইচএস) এবং সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
গত ৩১ জুলাই (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষার পর প্রকাশিত ফলে বেশ কিছু অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তালিকায় এমন কিছু রোল নম্বর স্থান পেয়েছে, যাদের অনেকেই পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।
রোববার (২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিক সত্যজিৎ দাস বলেন, "এমন অভিযোগ যখন জনমনে স্থান করে নেয়, তখন তা পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতার ওপর প্রশ্ন তোলে। একটি নিয়োগ পরীক্ষার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের বিশ্বাস।"
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও পরিবারের প্রত্যাশা নিয়ে প্রার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। কোনো নির্দোষ প্রার্থী যেন বঞ্চিত না হন এবং কোনো অনিয়ম থাকলে তা যেন আড়ালে না থাকে—সেজন্যই দ্রুত তদন্ত প্রয়োজন। অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে তা-ও তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করার আহ্বান জানানো হয়।
হাজারো প্রার্থীর মেধা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা রক্ষায় বিষয়টিতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনার জন্য কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।