বাগেরহাটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 10:03 PM
বাগেরহাটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ভান্ডারখোলা গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিতাদেশ অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল, ঘরবাড়ি ও হাওলি বেড়া ভাঙচুর এবং তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ভান্ডারখোলা গ্রামের হাসেম মল্লিকের পুত্র আজিজুল মল্লিকের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল একই গ্রামের মৃত আশরাফ আলী মল্লিকের পুত্র টিপু মল্লিক ও টুলু মল্লিকের। উক্ত জমি নিয়ে বাগেরহাট জেলা জজ আদালতে একটি মামলা (দেওয়ানী আপীল নং- ৬৫/২০২৬) বিচারাধীন রয়েছে। আদালত জমিটির বিষয়ে পূর্বের রায় ও ডিগ্রীর ওপর ২১ দিনের স্থগিতাদেশ প্রদান করে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
অভিযোগ উঠেছে, আদালতের এই আদেশ অমান্য করে শনিবার সকালে টিপু মল্লিক ও টুলু মল্লিকের নেতৃত্বে নারীসহ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জোরপূর্বক জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তারা বসতঘরের অংশ ও হাওলি বেড়াসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।
ঘটনার সময় ভুক্তভোগী পক্ষ তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ ফোন দিলে কচুয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় পক্ষকে আইন নিজের হাতে না তুলে নিয়ে আদালতের নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানায়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আজিজুল মল্লিক বলেন, "আদালতের সুস্পষ্ট স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ বেআইনিভাবে আমাদের সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ৯৯৯-এ পুলিশকে খবর দেই।"
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত টিপু মল্লিক মুঠোফোনে জানান, তাঁর বিরুদ্ধে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও দখলের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখানে ঘরবাড়ি দখলের ঘটনা না ঘটলেও বাড়ির হাওলি বেড়া ভাঙচুর করা হয়েছে।
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
০২ আগস্ট, ২০২৬, 10:03 PM
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ভান্ডারখোলা গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিতাদেশ অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল, ঘরবাড়ি ও হাওলি বেড়া ভাঙচুর এবং তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ভান্ডারখোলা গ্রামের হাসেম মল্লিকের পুত্র আজিজুল মল্লিকের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল একই গ্রামের মৃত আশরাফ আলী মল্লিকের পুত্র টিপু মল্লিক ও টুলু মল্লিকের। উক্ত জমি নিয়ে বাগেরহাট জেলা জজ আদালতে একটি মামলা (দেওয়ানী আপীল নং- ৬৫/২০২৬) বিচারাধীন রয়েছে। আদালত জমিটির বিষয়ে পূর্বের রায় ও ডিগ্রীর ওপর ২১ দিনের স্থগিতাদেশ প্রদান করে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
অভিযোগ উঠেছে, আদালতের এই আদেশ অমান্য করে শনিবার সকালে টিপু মল্লিক ও টুলু মল্লিকের নেতৃত্বে নারীসহ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জোরপূর্বক জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তারা বসতঘরের অংশ ও হাওলি বেড়াসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।
ঘটনার সময় ভুক্তভোগী পক্ষ তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ ফোন দিলে কচুয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় পক্ষকে আইন নিজের হাতে না তুলে নিয়ে আদালতের নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানায়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আজিজুল মল্লিক বলেন, "আদালতের সুস্পষ্ট স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ বেআইনিভাবে আমাদের সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ৯৯৯-এ পুলিশকে খবর দেই।"
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত টিপু মল্লিক মুঠোফোনে জানান, তাঁর বিরুদ্ধে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও দখলের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখানে ঘরবাড়ি দখলের ঘটনা না ঘটলেও বাড়ির হাওলি বেড়া ভাঙচুর করা হয়েছে।