গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, সাংবাদিক আহত
মাজনুন মাসুদ :
১৩ আগস্ট, ২০২৬, 11:23 PM
গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, সাংবাদিক আহত
গাজীপুরে ঝুট ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কয়েকটি বাড়িঘর, ফুটপাতের দোকানপাট ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ডেগেরচালা এলাকায় 'ইন্ডোচোর সোয়েটার ফ্যাক্টরি'র সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারখানাটির ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ মণ্ডল ও তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে আশপাশের কয়েকটি দোকানপাট, মোটরসাইকেল এবং বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এতে সাধারণ ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’-এর গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি শরীফ ওমর টুটুল আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ মণ্ডল জানান, "৫ আগস্টের পর থেকে ইন্ডোচোর সোয়েটার ফ্যাক্টরির ঝুট আমি নিচ্ছি।" তবে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে আব্দুল হামিদ মণ্ডল ও তাঁর লোকজন সরাসরি জড়িত ছিলেন।
ঘটনার পর যুবদল নেতা ইফতেখার আলম রিপনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
খবর পেয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গাছা থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বর্তমানে এলাকাটিতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘাত ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মাজনুন মাসুদ :
১৩ আগস্ট, ২০২৬, 11:23 PM
গাজীপুরে ঝুট ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কয়েকটি বাড়িঘর, ফুটপাতের দোকানপাট ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ডেগেরচালা এলাকায় 'ইন্ডোচোর সোয়েটার ফ্যাক্টরি'র সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারখানাটির ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ মণ্ডল ও তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে আশপাশের কয়েকটি দোকানপাট, মোটরসাইকেল এবং বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এতে সাধারণ ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’-এর গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি শরীফ ওমর টুটুল আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ মণ্ডল জানান, "৫ আগস্টের পর থেকে ইন্ডোচোর সোয়েটার ফ্যাক্টরির ঝুট আমি নিচ্ছি।" তবে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে আব্দুল হামিদ মণ্ডল ও তাঁর লোকজন সরাসরি জড়িত ছিলেন।
ঘটনার পর যুবদল নেতা ইফতেখার আলম রিপনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
খবর পেয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গাছা থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বর্তমানে এলাকাটিতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘাত ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।