ঢাকা ২৮ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
স্বাধীন গণমাধ্যমের নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী ‘গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজকে আয়নার মতো সঠিক পথ দেখায়’: তথ্যমন্ত্রী ‘জুলাই ব্যর্থ হলে দেশে শেখরাজ্য প্রতিষ্ঠিত হতো’: এবি পার্টির সভায় বক্তারা টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট সামাজিক সেবা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের অঙ্গীকার বার্নহ্যামের আগস্টে ঢাকায় শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী ‘রিহ্যাব সামার ফেয়ার-২০২৬’ ১৫ টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজের দ্বিতীয় শিফট শিক্ষার্থীশূন্য, কারণ দর্শানোর নির্দেশ রাজবাড়ীর অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা চীন যাচ্ছে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার আজমিরীগঞ্জে নদীভাঙন রোধে ৩২০ কোটি টাকার প্রকল্প পরিদর্শন করলেন এমপি

সামাজিক সেবা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের অঙ্গীকার বার্নহ্যামের

#
news image

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দেশের ভঙ্গুর সামাজিক সেবা (সোশ্যাল কেয়ার) ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের অঙ্গীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই খাতের সংস্কারের মাধ্যমে বর্তমানে প্রচণ্ড চাপে থাকা জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস)-এর ওপর থেকে বাড়তি চাপ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সোমবার সম্প্রচারিত এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ডাউনিং স্ট্রিটে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক সপ্তাহ পর বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "আমার যতটুকু রাজনৈতিক শক্তি আছে, তার পুরোটাই এই ভেঙে পড়া সামাজিক সেবা ব্যবস্থা পুনর্গঠনে কাজে লাগাব। এই খাতে বড় ধরনের দৃশ্যমান পরিবর্তন না এনে আমি দায়িত্ব ছাড়তে চাই না।"

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এনএইচএস দীর্ঘ অপেক্ষার তালিকা এবং সীমিত সম্পদের তীব্র সংকটে ভুগছে। অন্যদিকে, দেশটিতে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পরিচালিত সামাজিক সেবার বড় একটি অংশই বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। আয় ও সম্পদের ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়ায় এই সেবা দেওয়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও সামাজিক সেবার অভাবে অনেক বয়স্ক রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া সম্ভব হয় না, যা এনএইচএসের শয্যা সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

সামাজিক সেবা ব্যবস্থার এই সংকট বার্নহ্যামের জন্য ব্যক্তিগতভাবেও স্পর্শকাতর বিষয়; তাঁর বাবা দীর্ঘদিন ধরে আলঝেইমারে ভুগছেন। ২০০৯ থেকে ২০১০ সালে গর্ডন ব্রাউনের সরকারে স্বাস্থ্যসচিব থাকার সময় থেকেই তিনি এনএইচএসের মতো বিনামূল্যে সরকারি অর্থায়নে ‘জাতীয় পরিচর্যা সেবা’ (ন্যাশনাল কেয়ার সার্ভিস) চালুর জন্য কাজ করে আসছেন।

বার্নহ্যাম স্বীকার করেন যে, নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর করতে সময় লাগবে, তবে তাঁর মেয়াদকালেই ‘উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন’ আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সরকারি ব্যয় কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি ইঙ্গিত দেন, মানুষকে কর্মমুখী করতে ও কাজে ফেরাতে সাহায্য বা সামাজিক ভাতা পাওয়ার শর্তাবলি আরও কঠোর করা হতে পারে। (সূত্র: এএফপি)

আন্তর্জাতিক ডেক্স :

২৭ জুলাই, ২০২৬,  11:19 PM

news image

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দেশের ভঙ্গুর সামাজিক সেবা (সোশ্যাল কেয়ার) ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের অঙ্গীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই খাতের সংস্কারের মাধ্যমে বর্তমানে প্রচণ্ড চাপে থাকা জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (এনএইচএস)-এর ওপর থেকে বাড়তি চাপ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সোমবার সম্প্রচারিত এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ডাউনিং স্ট্রিটে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক সপ্তাহ পর বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "আমার যতটুকু রাজনৈতিক শক্তি আছে, তার পুরোটাই এই ভেঙে পড়া সামাজিক সেবা ব্যবস্থা পুনর্গঠনে কাজে লাগাব। এই খাতে বড় ধরনের দৃশ্যমান পরিবর্তন না এনে আমি দায়িত্ব ছাড়তে চাই না।"

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এনএইচএস দীর্ঘ অপেক্ষার তালিকা এবং সীমিত সম্পদের তীব্র সংকটে ভুগছে। অন্যদিকে, দেশটিতে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পরিচালিত সামাজিক সেবার বড় একটি অংশই বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। আয় ও সম্পদের ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়ায় এই সেবা দেওয়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও সামাজিক সেবার অভাবে অনেক বয়স্ক রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া সম্ভব হয় না, যা এনএইচএসের শয্যা সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

সামাজিক সেবা ব্যবস্থার এই সংকট বার্নহ্যামের জন্য ব্যক্তিগতভাবেও স্পর্শকাতর বিষয়; তাঁর বাবা দীর্ঘদিন ধরে আলঝেইমারে ভুগছেন। ২০০৯ থেকে ২০১০ সালে গর্ডন ব্রাউনের সরকারে স্বাস্থ্যসচিব থাকার সময় থেকেই তিনি এনএইচএসের মতো বিনামূল্যে সরকারি অর্থায়নে ‘জাতীয় পরিচর্যা সেবা’ (ন্যাশনাল কেয়ার সার্ভিস) চালুর জন্য কাজ করে আসছেন।

বার্নহ্যাম স্বীকার করেন যে, নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর করতে সময় লাগবে, তবে তাঁর মেয়াদকালেই ‘উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন’ আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সরকারি ব্যয় কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি ইঙ্গিত দেন, মানুষকে কর্মমুখী করতে ও কাজে ফেরাতে সাহায্য বা সামাজিক ভাতা পাওয়ার শর্তাবলি আরও কঠোর করা হতে পারে। (সূত্র: এএফপি)