টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৭ জুলাই, ২০২৬, 11:24 PM
টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ টুথপেস্টে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’ পাওয়ার ঘটনায় তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট পিটিশনটি দায়ের করেন। বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।
সম্প্রতি পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)-র এক গবেষণায় দেশের বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন টুথপেস্টে ক্ষতিকর এই উপাদানের ভয়াবহ উপস্থিতি ধরা পড়ে। ইএসডিও দেশের বাজারে বহুল বিক্রীত ১৯টি ব্র্যান্ডের মোট ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে।
তাদের গবেষণাগার পরীক্ষায় দেখা যায়, ৩৪টি নমুনার মধ্যে ২৬টিতেই—অর্থাৎ প্রায় ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ টুথপেস্টে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’-এর উপস্থিতি রয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরই সংক্ষুব্ধ হয়ে আইনজীবী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৭ জুলাই, ২০২৬, 11:24 PM
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ টুথপেস্টে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’ পাওয়ার ঘটনায় তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট পিটিশনটি দায়ের করেন। বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।
সম্প্রতি পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)-র এক গবেষণায় দেশের বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন টুথপেস্টে ক্ষতিকর এই উপাদানের ভয়াবহ উপস্থিতি ধরা পড়ে। ইএসডিও দেশের বাজারে বহুল বিক্রীত ১৯টি ব্র্যান্ডের মোট ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে।
তাদের গবেষণাগার পরীক্ষায় দেখা যায়, ৩৪টি নমুনার মধ্যে ২৬টিতেই—অর্থাৎ প্রায় ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ টুথপেস্টে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’-এর উপস্থিতি রয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরই সংক্ষুব্ধ হয়ে আইনজীবী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।