দৈনিক পল্লীবাংলা
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির সম্ভাবনা

কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, জ্বালানি ও শিল্পখাতে বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে; তবে নীতিগত জটিলতা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর অগ্রগতি ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এআইইউবি (AIUB)-এর সিএনআর (CNR) এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিভিন্ন উদ্যোগের মতো গবেষণা কেন্দ্রগুলো গড়ে উঠছে, তবুও একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনে বিলম্বের ফলে মেধাপাচার (brain drain) ও সুযোগ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির বর্তমান অবস্থা1.সরকারি স্বীকৃতি: 'প্রেসপেক্টিভ প্ল্যান ২০২১–২০৪১' এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ আইসিটি মাস্টার প্ল্যান ২০৪১'-এ ন্যানোপ্রযুক্তিকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।2.গবেষণা কেন্দ্রসমূহ: সেন্টার ফর ন্যানোটেকনোলজি রিসার্চ (সিএনআর), এআইইউবি (প্রতিষ্ঠা: ২০২০) ন্যানোইলেকট্রনিক্স, ন্যানোমেডিসিন, ন্যানো-কৃষি এবং গ্রিন ন্যানোটেকনোলজির ওপর গুরুত্বারোপ করে।বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি): সাভারে একটি ন্যানোপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও বাজেট ও নীতিগত বিতর্কের কারণে এর অগ্রগতি থমকে আছে।পাইলট প্রকল্প: অ্যাক্রাইলিক পলিমার প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিলেটে ন্যানোপ্রযুক্তি-ভিত্তিক পরিবেশবান্ধব সড়ক নির্মাণ।প্রধান সম্ভাবনাসমূহ১. কৃষি: টেকসই উপায়ে ফসলের ফলন বাড়াতে ন্যানো-সার। পরিবেশের ওপর প্রভাব কমিয়ে নিখুঁত বা সুনির্দিষ্ট কৃষিকাজের (Precision farming) জন্য ন্যানো-কীটনাশক। গ্রামীণ বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সম্ভাবনা।২. স্বাস্থ্যসেবা : ক্যান্সার ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসায় সুনির্দিষ্টভাবে ওষুধ প্রয়োগ (Targeted drug delivery)। ডায়াবেটিস, ফুসফুসের রোগ এবং অন্যান্য জটিল শারীরিক অবস্থা দ্রুত শনাক্তকরণের জন্য ন্যানো-সেন্সর। পোশাক ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বা জীবাণু-প্রতিরোধী কাপড় তৈরি।৩. জ্বালানি ও পরিবেশ : সৌরকোষের (Solar cells) কার্যকারিতা বাড়াতে ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালের ব্যবহার। পানি বিশুদ্ধকরণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ন্যানো-ফিল্টার। ন্যানো-ক্যাটালিস্ট বা প্রভাবক ব্যবহার করে পানি বিভাজনের মাধ্যমে হাইড্রোজেন উৎপাদনের সম্ভাবনা।৪. শিল্প ও আইসিটি (ICT) : পোশাক শিল্পে স্মার্ট টেক্সটাইল বা প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ কাপড়ের ব্যবহার। আইসিটি উদ্ভাবনের জন্য নমনীয় ইলেকট্রনিক্স (flexible electronics) এবং কোয়ান্টাম যোগাযোগ ব্যবস্থা। কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদান।সম্ভাবনা বনাম চ্যালেঞ্জসম্ভাবনা : ন্যানো-সারের মাধ্যমে টেকসই কৃষি জাতীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনে নীতিগত বিলম্ব । ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তি । স্মার্ট টেক্সটাইল ও আইসিটি উদ্ভাবন আমদানিকৃত প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা ।চ্যালেঞ্জ  : উন্নত স্বাস্থ্যসেবা রোগ নির্ণয় ও ওষুধ প্রয়োগ তহবিল ও অবকাঠামোর অভাব । তরুণ বিজ্ঞানীদের দেশত্যাগের (ব্রেইন ড্রেইন) ঝুঁকি । পানি বিশুদ্ধকরণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতার অভাব । ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা : নীতিগত জটিলতা দীর্ঘমেয়াদী কৌশল বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। মেধা পাচার (Brain drain): সুযোগের অভাবে প্রতিভাবান গবেষকরা দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। পরীক্ষামূলক পর্যায়: অনেক প্রয়োগই এখনও পাইলট বা গবেষণাগারের পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। আমদানির ওপর নির্ভরতা: বর্তমান প্রকল্পগুলো প্রায়শই স্থানীয় উদ্ভাবনের পরিবর্তে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।উপসংহার : ন্যানো-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে—বিশেষ করে কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং নবায়নযোগ্য শক্তির খাতে—যা দেশের এসডিজি (SDG) ২০৩০ লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এই সুবিধাগুলো পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশকে নীতি বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে হবে, অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই পদক্ষেপগুলো না নিলে বাংলাদেশ এমন একটি ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে পড়বে, যা তার অর্থনীতি ও টেকসই ভবিষ্যতের রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম।

বাংলাদেশে পিকেএল (PKL) বিদ্যুতের সম্ভাবনা

বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার জন্য সৌরশক্তির একটি সাশ্রয়ী এবং দিন-রাত ও বর্ষাকালেও কার্যকর বিকল্প হিসেবে 'পাথরকুচি পাতা' বা PKL (Pathor Kuchi Leaf) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। তবে এটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে এবং এর দক্ষতা, বড় পরিসরে প্রয়োগযোগ্যতা ও স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। গবেষকরা বিদ্যুৎ-সংযোগহীন (অফ-গ্রিড) এলাকায় সহায়তা প্রদান, মোবাইল চার্জিং এবং এলইডি (LED) বাতি জ্বালানোর ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন; তবে ব্যাপক ব্যবহারের জন্য এর আরও উন্নয়ন প্রয়োজন।বাংলাদেশে PKL বিদ্যুতের গুরুত্ব ১. গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের ঘাটতি: বাংলাদেশে এখনও লক্ষ লক্ষ মানুষ নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত, বিশেষ করে বিদ্যুৎ সংযোগহীন গ্রামগুলোতে।২. সৌরশক্তির (SPV) সীমাবদ্ধতা: সৌরশক্তি রাত ও বর্ষাকালে কাজ করে না; এক্ষেত্রে চকখ-এর নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা একটি বড় সুবিধা।৩. স্থানীয় উদ্ভাবন: PKL বিদ্যুৎকে অনেক সময় "বাংলা বিদ্যুৎ" বলা হয়, কারণ এটি সর্বপ্রথম বাংলাদেশে উদ্ভাবন করেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আলম খান।প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা১. শক্তির উৎস: PKL বা পাথরকুচি পাতায় (বৈজ্ঞানিক নাম: Bryophyllum pinnatum) ম্যালিক, সাইট্রিক ও আইসো-সাইট্রিকের মতো জৈব অ্যাসিড থাকে, যা ইলেক্ট্রোলাইট বা বিদ্যুৎ-পরিবাহী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।২. ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল বা তড়িৎ-রাসায়নিক বিন্যাস: সাধারণত পাথরকুচি পাতার নির্যাস বা রসের সাথে জিঙ্ক (Zn) ও কপার (Cu)-এর ইলেকট্রোড ব্যবহার করা হয়।কার্যক্ষমতা:১. ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য ১ কিলোওয়াট (kW) ক্ষমতার PKL মাইক্রো-পাওয়ার সিস্টেম পরীক্ষা করা হয়েছে।২. সৌরশক্তির বিপরীতে এটি দিন ও রাত উভয় সময়েই কাজ করে।৩. এর মাধ্যমে মোবাইল ফোন, এলইডি বাতি এবং ছোটখাটো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চালানো সম্ভব।দক্ষতা: গবেষণায় দেখা গেছে যে এর শক্তি রূপান্তরের দক্ষতা প্রায় ৬৫% এবং অভ্যন্তরীণ রোধ (internal resistance) প্রায় ০.৬ ওহম।তুলনামূলক পর্যালোচনা: PKL বনাম সোলার পিভি (Solar PV) বৈশিষ্ট্য সোলার পিভি PKL বিদ্যুৎ কার্যকারিতা শুধুমাত্র দিনের বেলা দিন-রাত ও সব আবহাওয়ায় বর্ষাকালে নির্ভরযোগ্যতা কম স্থিতিশীল খরচ প্রাথমিক বিনিয়োগ বেশি কম খরচ, স্থানীয়ভাবে লভ্য সম্প্রসারণযোগ্যতা বৈশ্বিকভাবে প্রমাণিত উদীয়মান ক্ষুদ্র পরিসর ব্যবহারের ক্ষেত্র গৃহস্থালি, শিল্প, গ্রিড গ্রামীণ অফ-গ্রিড এলাকা, মোবাইল চার্জিং সীমাবদ্ধতা সূর্যালোক ও স্টোরেজ ব্যাটারির প্রয়োজন                দক্ষতা ও স্থায়িত্বজনিত সমস্যা  চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি১. পরীক্ষামূলক পর্যায়: PKL এখনও বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়নি।২. দক্ষতা সংক্রান্ত উদ্বেগ: সময়ের সাথে ভোল্টেজ ও কারেন্ট কমে যায়; অভ্যন্তরীণ রোধ (internal resistance) আদর্শ মানের চেয়ে বেশি।৩. স্থায়িত্ব: PKL সেলের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা উন্নয়নের প্রয়োজন।৪. সম্প্রসারণযোগ্যতা: বর্তমান ব্যবস্থাগুলো ক্ষুদ্র পরিসরের; শিল্পক্ষেত্রে এর ব্যবহার অনিশ্চিত।ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা১. গ্রামীণ ক্ষমতায়ন: PKL গ্রামের যোগাযোগ, শিক্ষা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে।২. হাইব্রিড ব্যবস্থা: সোলারের সাথে PKL -এর সমন্বয় ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে পারে।৩. উপজাত পণ্য: PKL সেল থেকে জিঙ্ক বর্জ্য (যা সার হিসেবে ব্যবহারযোগ্য) ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়, যা অর্থনৈতিক মূল্য যোগ করে।৪. গবেষণার দিক: দক্ষতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ রোধ কমানো এবং কমিউনিটি-স্তরের গ্রিড পর্যন্ত সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া ।সারসংক্ষেপ বাংলাদেশের গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের ক্ষেত্রে PKL বিদ্যুৎ একটি সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন; যেখানে সোলার ব্যবস্থা হিমশিম খায়, সেখানে এটি নিরবচ্ছিন্ন ও কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম। তবে, মূলধারার জ্বালানি সমাধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে একে দক্ষতা ও সম্প্রসারণযোগ্যতা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
রাজনৈতিক দলগুলোর রাজপথের কর্মসূচি (যেমন অবরোধ বা লংমার্চ) কি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অতিরিক্ত দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে ?

রাজনৈতিক দলগুলোর রাজপথের কর্মসূচি (যেমন অবরোধ বা লংমার্চ) কি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অতিরিক্ত দুর্ভোগ সৃষ্টি করছে ?

  হ্যাঁ, কর্মসূচি পালনে ভিন্ন ও শান্তিপূর্ণ উপায়ের পথ খোঁজা উচিত
  না, দাবি আদায়ের জন্য রাজপথের কর্মসূচি স্বাভাবিক
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন
১

পিলজংগকে আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান বিএনপি নেতা মীর মোশারফ হোসেন

২

গাজীপুরে আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা মাদরাসার উদ্যোগে কলরবের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

৩

গাজীপুরে হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

৪

ঘটনায় পৃথক দুই মামলা, গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলনে

৫

চরভদ্রাসনে দলমত নির্বিশেষে সবার এমপি হিসেবে কাজ করতে চাই: শহিদুল ইসলাম বাবুল

৬

ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্স মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৪

৭

কাড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রবীণ ও তরুণদের পছন্দে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ রবিউল ইসলাম রবি

৮

গাজীপুরে উপজেলা দিবসের আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত

৯

সুপ্রিম কোর্টে বিনা খরচে ২,৩৮৫ মামলার নিষ্পত্তি করল লিগ্যাল এইড

১০

সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নতুন সাইবার ইউনিট গঠনের উদ্যোগ সরকারের

সর্বশেষ সব খবর
১

জিসিসির কাউলতিয়া অঞ্চল -৫ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের শুভ সুচনা

২

চর ঝাউকান্দায় বন্যাদুর্গত ও প্রান্তিক মৎস্যচাষিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

৩

বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির সম্ভাবনা

৪

বন্ধের সাত মাস পর উৎপাদনে ফিরল জামালপুরের যমুনা সার কারখানা

৫

৫০ জনের ছানি অপারেশন, চিকিৎসাসেবা পেলেন ৭০০ রোগী

৬

বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব, তাই শিক্ষাক্ষেত্রে বাজেট ধরা হয়েছে বেশি -মজিবুর রহমান

৭

গাজীপুরে ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

৮

কাউলতিয়া ২০ নং ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে জিসিসির প্রশাসক কে ফুলেল শুভেচ্ছা

৯

রাস্তার দু-পাশে জঙ্গল পরিস্কার করছে পুলিশ ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ

১০

নৈরাজ্য ঠেকাতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!
“
৭ দিন আগে

মো. নূরুল ইসলাম
মো. নূরুল ইসলাম
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য

 সারাদেশ সারাদেশ

ঘটনায় পৃথক দুই মামলা, গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলনে

ঘটনায় পৃথক দুই মামলা, গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলনে

গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক ছাত্রীকে উত্যক্ত করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসা’য় হামলা, ভাঙচুর, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মারধর এবং ১৭ লাখ টাকা চুরির অভিযোগে টঙ্গী পশ্চিম থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ উত্যক্তের মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে বিজ্ঞ আদালত তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।অন্যদিকে, মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলায় হামলাকারীদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, মাদরাসায় কোনো ধর্ষণ বা বলাৎকারের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে চুমু দেওয়ার অভিযোগে শিশুটির বাবার দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় (উত্যক্তকরণ) মামলা নেওয়া হয়েছে। এ মামলায় অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক মো.মোসলেম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান।ওসি আরও জানান, মাদরাসায় বহিরাগতদের নিয়ে অনধিকার প্রবেশ, হামলা, ভাঙচুর, নারী শিক্ষকসহ অন্যদের মারধর ও নগদ ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বাদী হয়ে পৃথক আরেকটি মামলা করেছেন। আসামীদের গ্রেপ্তার পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।মামলার এজাহার ও মাদরাসা সূত্র জানায়, ঘটনার দিন অভিযুক্ত অভিভাবক শাহজালাল রুমি (৩০) ১০ থেকে ১৫ জন বহিরাগত লোক সঙ্গে নিয়ে মাদরাসায় প্রবেশ করেন। তারা অধ্যক্ষের কক্ষের কাচ ও বৈদ্যুতিক বোর্ড ভেঙে তাণ্ডব চালায়। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া খণ্ডকালীন শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে ছাত্রীকে বেড টার্চ এর অভিযোগে ভারী স্টেপলার দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করা হয় এবং পরনের পোশাক ছিঁড়ে মারধর করা হয়। বাধা দিতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, উপাধ্যক্ষ এবং নিরাপত্তাপ্রহরী দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারীকে মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয়। এসময় ড্রয়ারে জমি কেনার জন্য রাখা নগদ ১৭ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এই তাণ্ডবের ভিডিও চিত্র মাদরাসার সিসিটিভি ক্যামেরায় সংরক্ষিত রয়েছে বলে অধ্যক্ষের দাবি।মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ মাওলানা ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক মোসলেম উদ্দিন বর্তমানে একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স শেষ বর্ষে অধ্যয়নরত। তিনি প্রতিদিন মাত্র তিন ঘণ্টার জন্য খণ্ডকালীন ক্লাস নিতেন। অথচ তাঁকে উপাধ্যক্ষ বানিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। উপাধ্যক্ষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছুটিতে থাকায় তিনি মাদ্রাসায় ছিলেন না। তিনি দাবি করেন, বহিরাগতদের এনে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে এবং জমি কেনার গচ্ছিত ১৭ লাখ টাকা লুটের প্রমাণ তাঁদের কাছে রয়েছে।এদিকে অভিযুক্ত অভিভাবক শাহজালাল রুমির পক্ষে-বিপক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তার স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে স্থানীয় সফিউদ্দিন রোডে পিত্রালয়ে বাস করেন এবং সেই ক্ষোভ থেকেই বহিরাগতদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই মব সৃষ্টি ও তাণ্ডব চালিয়েছেন বলে স্থানীয় একটি পক্ষ দাবি করছে।আইন নিজের হাতে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সংবাদ সম্মেলন। এদিকে মাদরাসায় হামলা, ভাঙচুর ও শিক্ষকদের ওপর মারধরের প্রতিবাদে শুক্রবার (২৩ অক্টেবর) বিকেলে টঙ্গীর সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি রোডে মাদরাসার নিজস্ব ভবনের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, যৌন নিপীড়নের যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করতে হবে। তবে কেবল অভিযোগের ভিত্তিতে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে শিক্ষককে মারধর কিংবা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানান। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।বক্তারা বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষা থেকে সাধারণ মানুষ যাতে মুখ ফিরিয়ে নেয় সেজন্যই মব সৃষ্টি করে সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথিত ধর্ষণ ও বলাৎকারের গুজব ছড়ানো হয়৷ এর আগে শানে সাহাবা খতিব ফাউন্ডেশন’সহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের নেতারাও মব কালচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।শা‌নে সাহাবা খ‌তিব ফাউন্ডেশ‌নের চেয়ারম‌্যান মুফ‌তি শা‌মিম মজুমদার ব‌লেন, তদন্ত ক‌রে জান যায় শিক্ষকের অ‌ভি‌যোগ সত‌্য তাহ‌লে তার বিরু‌দ্ধে কর্তপক্ষ ব‌্যবস্থা নি‌বেন। মাদ্রসায় হামলা ক‌রে সে অন‌্যায় ক‌রে‌ছে। ঘটনা‌টি তদন্ত করে দেখা হ‌চ্ছে।

বিএনপির নেতা টুটুলের জন্মদিনে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস

বিএনপির নেতা টুটুলের জন্মদিনে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস

গাজীপুর সদর মেট্রোথানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজীপুর -২ আসনের সদস্য সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি'র রাজনৈতিক সহচর মোঃ সাইফুল ইসলাম টুটুলে শুভ জন্মদিন পালন উপলক্ষে কেক কেটে উদযাপন করছেন কাউলতিয়া সাংগঠনিক থানা বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় নেতাকর্মীদের আনন্দ উল্লাস করতে দেখা গেছে।গাজীপুর মহানগরীর ২২ নং ওয়ার্ড বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী মোঃ মনির হোসেন সিকদারের আয়োজনে ঐ জন্মদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বার বার নির্বাচিত কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোঃ ছবদের হাসান, গাজীপুর সদর মেট্রোথানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মেহেদী, গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রোহানুজ্জামান শুক্কুর,২২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি আজহারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল হোসেন বেপারী, কাউলতিয়া সাংগঠনিক থানা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য এরশাদুল আলম এরশাদ, বিএনপির নেতা কামাল খান,যুবদল নেতা সুজন মাহমুদ বেপারী প্রমূখ।

৩৮নং ওয়ার্ডকে মডেল হিসেবে গড়ার প্রত্যয় জনগণের বন্ধু কামাল উদ্দিনের

৩৮নং ওয়ার্ডকে মডেল হিসেবে গড়ার প্রত্যয় জনগণের বন্ধু কামাল উদ্দিনের

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, রাজনীতি ও জনসেবার প্রত্যয় নিয়ে গাজীপুর মহানগরীর ৩৮ নং ওয়ার্ডের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন। আসন্ন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি এই ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।মো. কামাল উদ্দিন বর্তমানে গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং গাছা কলেজের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় কামাল উদ্দিন অতীতে গাছা থানা যুবদলের আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর যুবদলের সহ-সভাপতি, টঙ্গী কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, গাজীপুর সদর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম সচিব এবং গাছা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।নিজের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এলাকার সার্বিক কল্যাণে কাজ করতে চান কামাল উদ্দিন। তিনি জানান, জনগণের আস্থা অর্জন করে নাগরিক সমস্যা সমাধান, শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠাই তাঁর মূল লক্ষ্য।স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো ও নাগরিকদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করে কামাল উদ্দিন বলেন, “জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করা। ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি সুন্দর, আধুনিক ও বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে আমি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।”

গাজীপুর মহানগরের পূবাইলে স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কুষ্টিয়া থেকে গ্রেফতার

গাজীপুর মহানগরের পূবাইলে স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি কুষ্টিয়া থেকে গ্রেফতার

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পূবাইল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মেহেদী হাসান মারুফকে (২৪) গ্রেফতার করেছে। কুষ্টিয়া সদর এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস পূর্বে প্রবাসী মেহেদী হাসান মারুফের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সাতানীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. আফসার মিয়ার বড় মেয়ে আফসানা আক্তার স্নিগ্ধার (২১)। প্রায় দেড় মাস আগে আসামি দেশে ফিরে কাজীর মাধ্যমে নিকাহনামা সম্পন্ন করেন। তবে পরিবারের লোকজন এ বিয়ে মেনে না নেয়ায় তিনি স্ত্রীকে নিয়ে তালটিয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।​বাসায় থাকার পর থেকেই আসামির বিরুদ্ধে স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় পারিবারিক কলহের জেরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে ছোট বোন সিনথিয়ার সঙ্গে স্নিগ্ধার শেষ কথা হয়। পরদিন (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে পাশের বাসার ভাড়াটিয়া বাদীর বাসায় গিয়ে খবর দেন যে, স্নিগ্ধা নিজ ঘরের ভেতরে মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন।​খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে দেখতে পান চিলেকোঠা রুমের ফ্লোরের তোষকের ওপর স্নিগ্ধার লাশ পড়ে আছে। স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই দিন সকাল ১০ টার দিকে আসামি মারুফ তার ব্যাগ ও জামাকাপড় গুছিয়ে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যান। বাদীর ধারণা, ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮ টা থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টার মধ্যবর্তী যেকোনো সময় আসামি মারুফ বালিশ চাপা দিয়ে স্নিগ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আফসার মিয়া বাদী হয়ে পূবাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর- ০৮, তারিখ: ১৯/০৯/২০২৬ খ্রি., ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড)।​মামলা রুজুর পর থেকেই আসামি গা-ঢাকা দেন। অবশেষে পূবাইল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালান। গত ১৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত ১:২৫ মিনিটে কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকা থেকে আসামি মেহেদী হাসান মারুফকে গ্রেফতার করা হয়।​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি মারুফ এই হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন এবং আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি প্রকাশ করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। বিধি মোতাবেক তাঁকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে আদালত আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 রাজনীতি রাজনীতি

গাজীপুরে উপজেলা দিবসের আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত

গাজীপুরে উপজেলা দিবসের আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত

২৩ শে অক্টোবর উপজেলা দিবস পালন উপলক্ষে সারাদেশে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় পাটির পক্ষ থেকে। তারই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর মহানগর জাতীয় পাটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ২ শতাধিক নেতাকর্মী নগরের চান্দনা চৌরাস্তায় ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে আলোচনা সভায় অংশ গ্রহন করেন।গাজীপুর মহানগর জাতীয় পাটির আহবায়ক মোঃ শরিফুল ইসলাম শরিফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পাটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বিশিষ্ট আইনজীবী এ্যাডঃ শফিকুল ইসলাম বাবুল,সঞ্চালনায় ছিলেন গাজীপুর মহানগর জাতীয় পাটির সদস্য সচিব মোঃ মাসুদুল আলম টিটু সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর জাতীয় যুব সংহতির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন ভূইয়া।

১৯ ঘণ্টা আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 খেলা খেলা

তাসকিনকে ফিরিয়ে উইন্ডিজ সিরিজের প্রথম টেস্টের দল ঘোষণা

তাসকিনকে ফিরিয়ে উইন্ডিজ সিরিজের প্রথম টেস্টের দল ঘোষণা

স্পিডস্টার তাসকিন আহমেদকে ফিরিয়ে এনে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের জন্য ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করেছে বিসিবি (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড)। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন কুমার দাসও।আফগানিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ একমাত্র টেস্ট সিরিজে বিশ্রামে ছিলেন তাসকিন আহমেদ। ডানহাতি এই পেসার চলতি বছর জাতীয় দলের হয়ে ৪টি টেস্ট খেলেছেন। গত আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৪টি উইকেট পান তিনি। ২০১৭ সালে অভিষেকের পর ২১ টেস্টে ৫৯টি উইকেট শিকার করেছেন তাসকিন। অন্যদিকে চোট কাটিয়ে সুস্থ হওয়ায় স্কোয়াডে রাখা হয়েছে লিটন দাসকে।আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দল থেকে বাদ পড়েছেন পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও অলরাউন্ডার সৌম্য সরকার। তবে স্পিন আক্রমণে জায়গা ধরে রেখেছেন অফ-স্পিনার নাঈম হাসান। ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় বিবেচনা করা হয়নি তরুণ তুর্কি নাহিদ রানাকে।আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার সিরিজের প্রথম টেস্ট। এরপর ৫ নভেম্বর থেকে সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।এই সিরিজটি আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। চলতি চক্রে এ পর্যন্ত ৬ ম্যাচে ৫৫.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে ১২ ম্যাচে ২০.৮৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে ক্যারিবিয়ানরা।প্রথম টেস্টের বাংলাদেশ দল:নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন ও শরিফুল ইসলাম।

২০ ঘণ্টা আগে

 বিনোদন বিনোদন

শেরপুরে বাউলসম্রাট লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস

শেরপুরে বাউলসম্রাট লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস

মানবতার কবি ও বাউলসম্রাট লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে শেরপুরে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া।আলোচনা সভায় বক্তারা লালন সাঁইয়ের কালজয়ী জীবনদর্শন, কালচারাল ঐতিহ্য ও মানবতাবাদী চিন্তার নানা দিক আলোকপাত করেন। তারা বলেন, লালন সাঁই তাঁর ভাবসংগীত ও দর্শনের মাধ্যমে জাতি, ধর্ম ও বর্ণগত ভেদাভেদ ভুলে সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার জয়গান গেয়ে গেছেন। তাঁর এই প্রেম ও অসাম্প্রদায়িক অদ্বৈত চেতনা আজও আমাদের সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।আলোচনা পর্ব শেষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা লালন সাঁইয়ের অমর গান ও ঐতিহ্যবাহী বাউলসংগীত পরিবেশন করেন।

ছেউড়িয়ায় লাখো ভক্তের ঢলে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব

‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ / ছেউড়িয়ায় লাখো ভক্তের ঢলে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব

একটি গানও নিজ হাতে লিখে না রেখেও মৃত্যুর দীর্ঘ ১৩৬ বছর পর ভক্তদের কণ্ঠে ও হৃদয়ে পরম মমতায় বেঁচে আছেন মরমি সাধক ও মানবতাবাদী দার্শনিক ফকির লালন সাঁই। ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেউড়িয়া আখড়াবাড়িতে শনিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে তাঁর তিন দিনব্যাপী তিরোধান স্মরণোৎসব। আগামী ১৯ অক্টোবর (সোমবার) পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন।জাতপাত ও ধর্মীয় ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে মানুষকে স্থান দেওয়া লালন সাঁই ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর) ছেউড়িয়ার আখড়ায় প্রয়াণ লাভ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর থেকেই অনুসারীরা প্রতিবছর ১ কার্তিক দিনটিকে তিরোধান দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন। অধিবাস সেবার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনে প্রচলিত প্রাচীন সাধুরীতি মেনে অষ্টপ্রহরের সাধুসঙ্গ, বাল্যসেবা ও পূর্ণসেবা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।উৎসব উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো ভক্ত ও অনুসারীর পদচারণায় এখন মুখরিত ছেউড়িয়ার আখড়াবাড়ি। আখড়া চত্বরে নিজেদের ঘরানায় ছোট ছোট আসর বসিয়ে দোতারা ও একতারার সুরে সুরে সাঁইজির বাণী ছড়িয়ে দিচ্ছেন সাধুরা। প্রবীণ সাধকদের মতে, বাহ্যিক আড়ম্বর নয়, সহজ মানুষের সহজ আনন্দ ও আত্মশুদ্ধির সাধুসঙ্গের মধ্যেই এ উৎসবের আসল তাৎপর্য নিহিত।মাজার প্রাঙ্গণে সাধুসঙ্গের পাশাপাশি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে লালন একাডেমি চত্বরে তিন দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও লোকসংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালন একাডেমির সভাপতি ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদ বিন হাসান। আলোচনা সভা শেষে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত মূল মঞ্চে পরিবেশিত হচ্ছে দেশবরেণ্য বাউল শিল্পীদের লালন সংগীত। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো ছেউড়িয়া এলাকায় নেওয়া হয়েছে নিছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ওস্তাদ জানু খাঁ ও মাসুদ করিমের নতুন মিউজিক ভিডিও ‘আলো আঁধারি’ প্রকাশিত

দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রিয়েটিভ প্রোডাকশন হাউস 'ড্রিমমেকার এন্টারটেইনমেন্ট'-এর ব্যানারে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে ওস্তাদ জানু খাঁ ও মাসুদ করিমের নতুন মৌলিক মিউজিক ভিডিও "আলো আঁধারি"। উপমহাদেশের বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ওস্তাদ জানু খাঁর সুমধুর কণ্ঠে গাওয়া এ গানটির কথা, সুর ও সিনেমাটিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন শিল্পী ও নির্মাতা মাসুদ করিম।বর্তমান দ্রুতগতির বাণিজ্যিক গানের ভিড়ে "আলো আঁধারি" শ্রোতাদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ক্লাসিক্যাল ও আত্মোপলব্ধির এক গভীর মেলোডিয়াসের আবহে । সম্পর্কের জটিল টানাপোড়েন, মনের ভেতরের না-বলা বেদনা এবং মানুষের জীবনের আলো ও আঁধারের লুকোচুরি খেলাকে কেন্দ্র করে গানটি সাজানো হয়েছে ।গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার ও নির্মাতা মাসুদ করিম বলেন, সম্পর্কের আলো-আঁধারি ও নীরব ভুল বোঝাবুঝির মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন থেকেই গানটির জন্ম। ওস্তাদ জানু খাঁর কালজয়ী গায়কী এতে এক অনন্য পূর্ণতা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের ভিজ্যুয়াল ও সিনেমাটোগ্রাফির মাধ্যমে নির্মিত এই মিউজিক ভিডিওটিতে একাকীত্ব ও সম্পর্কের অন্তর্লীন দ্বন্দ্ব অত্যন্ত শৈল্পিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ওস্তাদ জানু খাঁ ও মাসুদ করিমের নতুন মিউজিক ভিডিও ‘আলো আঁধারি’ প্রকাশিত

বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে ২০২৬ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার

চলতি বছরের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার কোনো চীনা বা ক্যারিবীয় নারী লেখকের হাতে উঠতে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন সাহিত্য সমালোচকেরা। ঐতিহাসিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বের পুরুষ লেখকদের আধিক্য থাকা এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে আরও বৈচিত্র্য আনার ধারাবাহিকতায় এবারও তেমন সিদ্ধান্ত দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রতিবছরের মতো নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের কোনো প্রকাশ্য সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয় না। পুরস্কার প্রদানকারী ১৮ সদস্যের সুইডিশ একাডেমির মনোনয়ন ও অভ্যন্তরীণ আলোচনা দীর্ঘ ৫০ বছর গোপন রাখা হয়। ফলে নাম ঘোষণার আগে প্রতিবারই স্টকহোমের সাহিত্যাঙ্গনে সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। আগামী বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় (গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১১টা) এবারের নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।এবারের আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন অ্যান্টিগুয়া-আমেরিকান লেখক জ্যামাইকা কিনকেইড (৭৭)। ক্যারিবীয় সংস্কৃতি, পারিবারিক সম্পর্ক, পরিচয়, ঔপনিবেশিকতা ও বর্ণবৈষম্য নিয়ে লেখার জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই প্রশংসিত। অন্যদিকে, চীনের পরীক্ষাধর্মী লেখক কান শুয়েকেও শক্তিশালী দাবিদার মনে করা হচ্ছে, যাঁর লেখার ঢং প্রখ্যাত সাহিত্যিক ফ্রানৎস কাফকার সঙ্গে তুলনা করা হয়।সুইডেনের প্রভাবশালী দৈনিক 'ডাগেনস নিহেটার'-এর সংস্কৃতি সম্পাদক বিওর্ন উইমান ও 'এক্সপ্রেসেন'-এর সাহিত্য সমালোচক ভিক্টর মালম এএফপিকে জানান, জ্যামাইকা কিনকেইডের এই পুরস্কার পাওয়ার সময় এসেছে। তাঁর ১৯৯০ সালের বিখ্যাত উপন্যাস 'লুসি'র মতো সাহিত্যকর্ম নোবেল পাওয়ার স্পষ্ট যোগ্যতা রাখে।উল্লেখ্য, ১৯০১ সালে চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত নোবেল সাহিত্য পুরস্কার পাওয়া ১২২ জন বিজয়ীর মধ্যে নারী মাত্র ১৮ জন। গত বছর হাঙ্গেরির পুরুষ লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাইকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের সংকট কাটিয়ে ওঠার পর থেকে প্রতি দুই বছর পরপর একজন নারী লেখককে নোবেল দেওয়ার একটি প্রবণতা দেখা গেছে। সেই হিসেবে এবারও কোনো নারী লেখকের নোবেল পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখছেন বোদ্ধারা। তবে সুইডিশ একাডেমি বারবারই বলে আসছে, লিঙ্গ বা আঞ্চলিক পরিচয় নয়—মানসম্পন্ন সাহিত্যকর্মই তাদের একমাত্র বিবেচ্য।

বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে ২০২৬ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার

ওটিটিতে যা দেখবেন

নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ডকুমেন্টারি ফিল্ম ‘এয়ার ফোর্স এলিট: থান্ডারবার্ডস’। এতে দেখা যাবে মার্কিন বিমান বাহিনীর থান্ডারবার্ডস ফ্লাইট স্কোয়াড্রনের ভেতরের দৃশ্য। ডকুমেন্টরিটি নির্মাণ করেছেন ম্যাট উইলকক্স।বিঞ্জে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘নিষিদ্ধ বাসর’। এটি পরিচালনা করেছেন নুরুল আলম আতিক। এতে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, মনোজ প্রামাণিক, শিল্পী সরকার অপু প্রমুখ।বঙ্গতে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘টাকার মেশিন’। নির্মাণ করেছেন কামরুল জিন্নাহ। এতে অভিনয় করেছেন রাকিব হোসেইন ইভন, অশোক বেপারী, মোমেনা চৌধুরী, আরফান মৃধা শিবলু, ইমেল হক প্রমুখ। হইচইতে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘বিষহরি’। এটি নির্মাণ করেন সৃজিত রয়। এতে অভিনয় করেন সোলাঙ্কি রয়, রোহান ভট্টাচার্য, শঙ্কর চক্রবর্তী, কৌশিক রয় প্রমুখ।আইস্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘দূর্ঘটনা কবলিত স্বামী’। এটি পরিচালনা করেছেন জাকিউল ইসলাম রিপন। এতে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ ও সাফা কবির প্রমুখ।

ওটিটিতে যা দেখবেন

কান-এর আলোচিত পাঁচ সিনেমা

সারা বিশ্বই এখন অবরুদ্ধ গাজার প্রতিদিনের ছবি দেখতে পাচ্ছে। গাজাবাসীর বর্তমান দুর্দশাগ্রস্ত সাম্প্রতিক সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে ধারণা আগামই তুলে ধরেছিলেন জমজ দু’ভাই টারজান নাসের ও আরব নাসের। ২০০৭ সালের পটভূমিতে নির্মিত একটি অপরাধ থ্রিলার হুবহু বর্তমানের চিত্র তুলে ধরেছে- এটাই সিনেমার সার্থকতা। দোকানের মালিক ওসামা এবং উন্নত জীবনের স্বপ্নে বিভোর ইয়াহিয়ার জীবনযন্ত্রণাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে সিনেমার গল্প। কিন্তু হাসাস ও দখলদার ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দ্বন্দ্বে ভেঙে চুরমার হয় ইয়াহিয়ার মতো হাজারো গাজাবাসীর স্বপ্ন। আন সার্টেইন রিগার্ড ক্যাটাগরিতে সিনেমাটি প্রদর্শিত হয় উৎসবে।আয়েশা ক্যান’ট ফ্লাই অ্যাওয়ে 

কান-এর আলোচিত পাঁচ সিনেমা
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
google.com, pub-5018842995190966, DIRECT, f08c47fec0942fa0

 অর্থনীতি অর্থনীতি

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

সাহিত্য

আগামী ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭

আগামী ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭

আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘অমর একুশে বইমেলা-২০২৭’। মাসব্যাপী এই মেলা শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি, শনিবার। রোববার (১৮ অক্টোবর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৩ অক্টোবর বাংলা একাডেমির শহীদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ আয়োজন বিষয়ে প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং সচিব ইয়াসমিন বেগম।সভায় প্রকাশক ও প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবারের মতো আগামী বছরও ৭ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলা একাডেমি ও ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে মাসব্যাপী বইমেলা আয়োজনের এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।