দৈনিক পল্লী বাংলা
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির সম্ভাবনা

কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, জ্বালানি ও শিল্পখাতে বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে; তবে নীতিগত জটিলতা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর অগ্রগতি ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এআইইউবি (AIUB)-এর সিএনআর (CNR) এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিভিন্ন উদ্যোগের মতো গবেষণা কেন্দ্রগুলো গড়ে উঠছে, তবুও একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনে বিলম্বের ফলে মেধাপাচার (brain drain) ও সুযোগ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির বর্তমান অবস্থা1.সরকারি স্বীকৃতি: 'প্রেসপেক্টিভ প্ল্যান ২০২১–২০৪১' এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ আইসিটি মাস্টার প্ল্যান ২০৪১'-এ ন্যানোপ্রযুক্তিকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।2.গবেষণা কেন্দ্রসমূহ: সেন্টার ফর ন্যানোটেকনোলজি রিসার্চ (সিএনআর), এআইইউবি (প্রতিষ্ঠা: ২০২০) ন্যানোইলেকট্রনিক্স, ন্যানোমেডিসিন, ন্যানো-কৃষি এবং গ্রিন ন্যানোটেকনোলজির ওপর গুরুত্বারোপ করে।বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি): সাভারে একটি ন্যানোপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও বাজেট ও নীতিগত বিতর্কের কারণে এর অগ্রগতি থমকে আছে।পাইলট প্রকল্প: অ্যাক্রাইলিক পলিমার প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিলেটে ন্যানোপ্রযুক্তি-ভিত্তিক পরিবেশবান্ধব সড়ক নির্মাণ।প্রধান সম্ভাবনাসমূহ১. কৃষি: টেকসই উপায়ে ফসলের ফলন বাড়াতে ন্যানো-সার। পরিবেশের ওপর প্রভাব কমিয়ে নিখুঁত বা সুনির্দিষ্ট কৃষিকাজের (Precision farming) জন্য ন্যানো-কীটনাশক। গ্রামীণ বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সম্ভাবনা।২. স্বাস্থ্যসেবা : ক্যান্সার ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসায় সুনির্দিষ্টভাবে ওষুধ প্রয়োগ (Targeted drug delivery)। ডায়াবেটিস, ফুসফুসের রোগ এবং অন্যান্য জটিল শারীরিক অবস্থা দ্রুত শনাক্তকরণের জন্য ন্যানো-সেন্সর। পোশাক ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বা জীবাণু-প্রতিরোধী কাপড় তৈরি।৩. জ্বালানি ও পরিবেশ : সৌরকোষের (Solar cells) কার্যকারিতা বাড়াতে ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালের ব্যবহার। পানি বিশুদ্ধকরণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ন্যানো-ফিল্টার। ন্যানো-ক্যাটালিস্ট বা প্রভাবক ব্যবহার করে পানি বিভাজনের মাধ্যমে হাইড্রোজেন উৎপাদনের সম্ভাবনা।৪. শিল্প ও আইসিটি (ICT) : পোশাক শিল্পে স্মার্ট টেক্সটাইল বা প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ কাপড়ের ব্যবহার। আইসিটি উদ্ভাবনের জন্য নমনীয় ইলেকট্রনিক্স (flexible electronics) এবং কোয়ান্টাম যোগাযোগ ব্যবস্থা। কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদান।সম্ভাবনা বনাম চ্যালেঞ্জসম্ভাবনা : ন্যানো-সারের মাধ্যমে টেকসই কৃষি জাতীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনে নীতিগত বিলম্ব । ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তি । স্মার্ট টেক্সটাইল ও আইসিটি উদ্ভাবন আমদানিকৃত প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা ।চ্যালেঞ্জ  : উন্নত স্বাস্থ্যসেবা রোগ নির্ণয় ও ওষুধ প্রয়োগ তহবিল ও অবকাঠামোর অভাব । তরুণ বিজ্ঞানীদের দেশত্যাগের (ব্রেইন ড্রেইন) ঝুঁকি । পানি বিশুদ্ধকরণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতার অভাব । ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা : নীতিগত জটিলতা দীর্ঘমেয়াদী কৌশল বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। মেধা পাচার (Brain drain): সুযোগের অভাবে প্রতিভাবান গবেষকরা দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। পরীক্ষামূলক পর্যায়: অনেক প্রয়োগই এখনও পাইলট বা গবেষণাগারের পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। আমদানির ওপর নির্ভরতা: বর্তমান প্রকল্পগুলো প্রায়শই স্থানীয় উদ্ভাবনের পরিবর্তে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।উপসংহার : ন্যানো-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে—বিশেষ করে কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং নবায়নযোগ্য শক্তির খাতে—যা দেশের এসডিজি (SDG) ২০৩০ লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এই সুবিধাগুলো পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশকে নীতি বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে হবে, অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই পদক্ষেপগুলো না নিলে বাংলাদেশ এমন একটি ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে পড়বে, যা তার অর্থনীতি ও টেকসই ভবিষ্যতের রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম।

বাংলাদেশে পিকেএল (PKL) বিদ্যুতের সম্ভাবনা

বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার জন্য সৌরশক্তির একটি সাশ্রয়ী এবং দিন-রাত ও বর্ষাকালেও কার্যকর বিকল্প হিসেবে 'পাথরকুচি পাতা' বা PKL (Pathor Kuchi Leaf) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। তবে এটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে এবং এর দক্ষতা, বড় পরিসরে প্রয়োগযোগ্যতা ও স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। গবেষকরা বিদ্যুৎ-সংযোগহীন (অফ-গ্রিড) এলাকায় সহায়তা প্রদান, মোবাইল চার্জিং এবং এলইডি (LED) বাতি জ্বালানোর ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন; তবে ব্যাপক ব্যবহারের জন্য এর আরও উন্নয়ন প্রয়োজন।বাংলাদেশে PKL বিদ্যুতের গুরুত্ব ১. গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের ঘাটতি: বাংলাদেশে এখনও লক্ষ লক্ষ মানুষ নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত, বিশেষ করে বিদ্যুৎ সংযোগহীন গ্রামগুলোতে।২. সৌরশক্তির (SPV) সীমাবদ্ধতা: সৌরশক্তি রাত ও বর্ষাকালে কাজ করে না; এক্ষেত্রে চকখ-এর নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা একটি বড় সুবিধা।৩. স্থানীয় উদ্ভাবন: PKL বিদ্যুৎকে অনেক সময় "বাংলা বিদ্যুৎ" বলা হয়, কারণ এটি সর্বপ্রথম বাংলাদেশে উদ্ভাবন করেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আলম খান।প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা১. শক্তির উৎস: PKL বা পাথরকুচি পাতায় (বৈজ্ঞানিক নাম: Bryophyllum pinnatum) ম্যালিক, সাইট্রিক ও আইসো-সাইট্রিকের মতো জৈব অ্যাসিড থাকে, যা ইলেক্ট্রোলাইট বা বিদ্যুৎ-পরিবাহী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।২. ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল বা তড়িৎ-রাসায়নিক বিন্যাস: সাধারণত পাথরকুচি পাতার নির্যাস বা রসের সাথে জিঙ্ক (Zn) ও কপার (Cu)-এর ইলেকট্রোড ব্যবহার করা হয়।কার্যক্ষমতা:১. ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য ১ কিলোওয়াট (kW) ক্ষমতার PKL মাইক্রো-পাওয়ার সিস্টেম পরীক্ষা করা হয়েছে।২. সৌরশক্তির বিপরীতে এটি দিন ও রাত উভয় সময়েই কাজ করে।৩. এর মাধ্যমে মোবাইল ফোন, এলইডি বাতি এবং ছোটখাটো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চালানো সম্ভব।দক্ষতা: গবেষণায় দেখা গেছে যে এর শক্তি রূপান্তরের দক্ষতা প্রায় ৬৫% এবং অভ্যন্তরীণ রোধ (internal resistance) প্রায় ০.৬ ওহম।তুলনামূলক পর্যালোচনা: PKL বনাম সোলার পিভি (Solar PV) বৈশিষ্ট্য সোলার পিভি PKL বিদ্যুৎ কার্যকারিতা শুধুমাত্র দিনের বেলা দিন-রাত ও সব আবহাওয়ায় বর্ষাকালে নির্ভরযোগ্যতা কম স্থিতিশীল খরচ প্রাথমিক বিনিয়োগ বেশি কম খরচ, স্থানীয়ভাবে লভ্য সম্প্রসারণযোগ্যতা বৈশ্বিকভাবে প্রমাণিত উদীয়মান ক্ষুদ্র পরিসর ব্যবহারের ক্ষেত্র গৃহস্থালি, শিল্প, গ্রিড গ্রামীণ অফ-গ্রিড এলাকা, মোবাইল চার্জিং সীমাবদ্ধতা সূর্যালোক ও স্টোরেজ ব্যাটারির প্রয়োজন                দক্ষতা ও স্থায়িত্বজনিত সমস্যা  চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি১. পরীক্ষামূলক পর্যায়: PKL এখনও বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়নি।২. দক্ষতা সংক্রান্ত উদ্বেগ: সময়ের সাথে ভোল্টেজ ও কারেন্ট কমে যায়; অভ্যন্তরীণ রোধ (internal resistance) আদর্শ মানের চেয়ে বেশি।৩. স্থায়িত্ব: PKL সেলের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা উন্নয়নের প্রয়োজন।৪. সম্প্রসারণযোগ্যতা: বর্তমান ব্যবস্থাগুলো ক্ষুদ্র পরিসরের; শিল্পক্ষেত্রে এর ব্যবহার অনিশ্চিত।ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা১. গ্রামীণ ক্ষমতায়ন: PKL গ্রামের যোগাযোগ, শিক্ষা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে।২. হাইব্রিড ব্যবস্থা: সোলারের সাথে PKL -এর সমন্বয় ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে পারে।৩. উপজাত পণ্য: PKL সেল থেকে জিঙ্ক বর্জ্য (যা সার হিসেবে ব্যবহারযোগ্য) ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়, যা অর্থনৈতিক মূল্য যোগ করে।৪. গবেষণার দিক: দক্ষতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ রোধ কমানো এবং কমিউনিটি-স্তরের গ্রিড পর্যন্ত সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া ।সারসংক্ষেপ বাংলাদেশের গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের ক্ষেত্রে PKL বিদ্যুৎ একটি সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন; যেখানে সোলার ব্যবস্থা হিমশিম খায়, সেখানে এটি নিরবচ্ছিন্ন ও কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম। তবে, মূলধারার জ্বালানি সমাধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে একে দক্ষতা ও সম্প্রসারণযোগ্যতা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন
১

নৈরাজ্য ঠেকাতে পাহারায় থাকবে কোনাবাড়ির যুবদলের নেতৃবৃন্দ

২

তেঁতুলিয়া উপজেলাকে পর্যটননগরীর দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

৩

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর জমকালো উদ্বোধন

৪

টঙ্গীতে বেপরোয়া কাভার্ডভ্যানের চাপায় মা-ছেলে নিহত

৫

বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির সম্ভাবনা

৬

গাজীপুরে প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করেন শওকত হোসেন সরকার

৭

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে পিরোজপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

৮

ভান্ডারিয়ায় ২০০ পিস ইয়াবাসহ ঝালকাঠির এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

৯

পিরোজপুরে নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

১০

বাল্যবিয়ে রোধে ষাটগুম্বুজে কমিউনিটি এনগেজমেন্ট সভা ও সচেতনতামূলক প্রচারণা অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ সব খবর
১

বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির সম্ভাবনা

২

কোনাবাড়িতে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের উদ্ধোধন করেন জিসিসির প্রশাসক

৩

বাংলাদেশে পিকেএল (PKL) বিদ্যুতের সম্ভাবনা

৪

গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

৫

গাজীপুরে প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করেন শওকত হোসেন সরকার

৬

চরভদ্রাসনে বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে চরাঞ্চলে তালবীজ রোপণ কর্মসূচি

৭

পিরোজপুরে নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

৮

গাজীপুরে সীরাত মাহফিল ও কোরআন সবক প্রদান অনুষ্ঠিত

৯

ভান্ডারিয়ায় ২০০ পিস ইয়াবাসহ ঝালকাঠির এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

১০

ফরিদপুরে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!

জাতীয়

গ্লোবাল মঞ্চে বাংলাদেশের নতুন বার্তা

গ্লোবাল মঞ্চে বাংলাদেশের নতুন বার্তা

বিশ্বমঞ্চে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ পরিষদের সাধারণ আলোচনা পর্বে দেশের সার্বিক উন্নয়ন রূপকল্প, সার্বভৌম স্বার্থ এবং বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বক্তৃতা রাখার কথা রয়েছে তাঁর। জাতিসংঘে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা : প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর জিয়া পরিবারের ৩য় প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাশ্রয়ী ও সংক্ষিপ্ত সফরসঙ্গী দল : রাষ্ট্রীয় কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবে মাত্র ৩৮ সদস্যের একটি সুসংগঠিত ও সংক্ষিপ্ত প্রতিনিধি দল নিয়ে নিউইয়র্ক পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বিশ্ব নেতাদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক : সম্মেলনের ফাঁকে বৈশ্বিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য প্রসার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন তিনি।মূল এজেন্ডা : নতুন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন।প্রত্যাবাসন ইস্যুতে জোরদার : রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও তাঁদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার দাবি।দ্বিপক্ষীয় কূটনীতি : মার্কিন প্রশাসনসহ উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি।

দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী

দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।দাম বাড়ানোর কারণে জনগণের যে কষ্ট হবে, তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে অব্যাহতভাবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংকট প্রতিদিন নতুন মাত্রায় আমাদের সামনে আবির্ভূত হচ্ছে। এর ফলশ্রুতিতে বিমার প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়া বাড়ছে। এ অবস্থায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের পক্ষে এ মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরকম একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জনগণের জীবনমানের কষ্ট লাঘবের অভিপ্রায়ে রাজনীতিতে এসেছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনগণের যে কষ্ট হবে, এটি আমি উপলব্ধি করি।তিনি বলেন, সরকার উপায়হীন না হলে এমন অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে চাইতো না। তবে চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম আবারও সমন্বয় করে আগের পর্যায়ে বা তার চেয়েও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।

এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে রিমান্ডে চেয়েছে পুলিশ

এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে রিমান্ডে চেয়েছে পুলিশ

রাজধানী শেরেবাংলা নগর থানার আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে শুনানি হবে।এর আগে গতকাল রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মৃত মরিয়ম খাতুনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ‍্যালক ওবায়দুর রহমান—এই ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।এই ঘটনার পর ২২ জুলাই সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার এবং একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি অবগত করা হয়।এদিকে, ভিডিও ভাইরালের পর অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গত ২১ জুলাই গাড়ি চালক ও মৃত মরিয়ম খাতুনের মামা ওবায়দুর রহমান বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। এই মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত ১০ আগস্ট ৮ সপ্তাহের জামিন পান গাজী নজরুল ইসলাম। সেই মামলার বাদী ওবায়দুরকে এবার মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় আসামি করা হয়েছে। মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, গত জুনে গাজী নজরুলের সাথে ভিক্টিমের ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয়। তিনি সংসদ সদস্য হওয়ায় ভিকটিম মরিয়ম ও তার প্রথম স্ত্রী মোছাঃ মাকছুদা ইসলামসহ শেরেবাংলা নগর থানাধীন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকাস্থ সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ন্যাম ভবনের ৫নং বিল্ডিং এর ৩য় তলায় বসবাস করত। আসামি ওবায়দুর রহমানের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় গাজী নজরুলের সাথে ভিকটিম মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী ভিকটিম মরিয়মকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত বলে বিভিন্ন সময় মোবাইল তার পরিবারকে জানায়। এর ধারাবাহিকতায় ২০ সেপ্টেম্বর বিকাল অনুমান সাড়ে ৫ টায় গাজী নজরুল ভিক্টিমের বাবাকে মোবাইল ফোনে দ্রুত তাদের বাসায় যেতে বলে। বাসায় এসে দেখতে পান অনেক লোকজন সেখানে উপস্থিত।তখন তিনি জানতে পারেন বাসার ভিতরের রুমে ভিকটিম মরিয়ম ওড়না দিয়ে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে। শেরেবাংলা নগর পুলিশের সহায়তায় দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে তার মেয়ের দেহ ওড়না দিয়ে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে দেখতে পান। এসময় বিছানার উপরে তার লেখা একটি সুসাইড নোট পান। আসামিদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এবং আসামিদের প্ররোচনায় তার মেয়ে মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

 রাজনীতি রাজনীতি

নৈরাজ্য ঠেকাতে পাহারায় থাকবে কোনাবাড়ির যুবদলের নেতৃবৃন্দ

নৈরাজ্য ঠেকাতে পাহারায় থাকবে কোনাবাড়ির যুবদলের নেতৃবৃন্দ

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিশীল করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি মেট্রোথানার অর্ন্তগত ১১ নং ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ। সকল প্রকার নৈরাজ্য ঠেকাতে ২৭শে সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায়কোনাবাড়ি থানার ১১ নং ওয়ার্ডের নছের মার্কেট সহ সড়কের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে নেতৃত্ব দেন কোনাবাড়ি থানা যুবদল নেতা রনি মাহমুদ। বিক্ষোভ মিছিল শেষে রনি মাহমুদ বলেন,আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশকে অস্থিশীল করার জন্য পয়তারা করলে,আমরা যুবদল সব সময় মাঠে তাদেরকে দাঁত ভাঙা জবাব দেব। গাজীপুর মহানগর যুবদলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের নির্দেশে কোনাবাড়ি থানা ১১ নং ওয়ার্ড যুবদল সব সময় মাঠে আছে,থাকবে।

১১ ঘণ্টা আগে
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 খেলা খেলা

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর জমকালো উদ্বোধন

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর জমকালো উদ্বোধন

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে "প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬" এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭শে সেপ্টেম্বর (রবিবার) বিকেলে কাশিমপুর সিটি কর্পোরেশন মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সুযোগ্য প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার। সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিস তানজিলা খানম। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন কাশিমপুর মেট্রো থানার অফিসার ইনচার্জ পূবাইল থানা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ হোসেন ভূঁইয়া। এছাড়াও উদ্বোধনী আয়োজনে সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।উদ্বোধনী ম্যাচে টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে পুবাইল অঞ্চল-২। অসাধারণ দলীয় পারফরম্যান্স ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে প্রতিপক্ষকে ট্রাই ব্রেকার এর মাধ্যমে ৩-২ গোলে পরাজিত করে বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে।মাঠে আগত হাজারো দর্শক জাঁকজমকপূর্ণ এই ফুটবল ম্যাচটি উপভোগ করেন। তরুণ সমাজকে খেলাধুলার দিকে উৎসাহিত করতে এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের এই উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 বিনোদন বিনোদন

ওটিটিতে যা দেখবেন

ওটিটিতে যা দেখবেন

নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ডকুমেন্টারি ফিল্ম ‘এয়ার ফোর্স এলিট: থান্ডারবার্ডস’। এতে দেখা যাবে মার্কিন বিমান বাহিনীর থান্ডারবার্ডস ফ্লাইট স্কোয়াড্রনের ভেতরের দৃশ্য। ডকুমেন্টরিটি নির্মাণ করেছেন ম্যাট উইলকক্স।বিঞ্জে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘নিষিদ্ধ বাসর’। এটি পরিচালনা করেছেন নুরুল আলম আতিক। এতে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, মনোজ প্রামাণিক, শিল্পী সরকার অপু প্রমুখ।বঙ্গতে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘টাকার মেশিন’। নির্মাণ করেছেন কামরুল জিন্নাহ। এতে অভিনয় করেছেন রাকিব হোসেইন ইভন, অশোক বেপারী, মোমেনা চৌধুরী, আরফান মৃধা শিবলু, ইমেল হক প্রমুখ। হইচইতে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘বিষহরি’। এটি নির্মাণ করেন সৃজিত রয়। এতে অভিনয় করেন সোলাঙ্কি রয়, রোহান ভট্টাচার্য, শঙ্কর চক্রবর্তী, কৌশিক রয় প্রমুখ।আইস্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘দূর্ঘটনা কবলিত স্বামী’। এটি পরিচালনা করেছেন জাকিউল ইসলাম রিপন। এতে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ ও সাফা কবির প্রমুখ।

কান-এর আলোচিত পাঁচ সিনেমা

কান-এর আলোচিত পাঁচ সিনেমা

সারা বিশ্বই এখন অবরুদ্ধ গাজার প্রতিদিনের ছবি দেখতে পাচ্ছে। গাজাবাসীর বর্তমান দুর্দশাগ্রস্ত সাম্প্রতিক সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে ধারণা আগামই তুলে ধরেছিলেন জমজ দু’ভাই টারজান নাসের ও আরব নাসের। ২০০৭ সালের পটভূমিতে নির্মিত একটি অপরাধ থ্রিলার হুবহু বর্তমানের চিত্র তুলে ধরেছে- এটাই সিনেমার সার্থকতা। দোকানের মালিক ওসামা এবং উন্নত জীবনের স্বপ্নে বিভোর ইয়াহিয়ার জীবনযন্ত্রণাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে সিনেমার গল্প। কিন্তু হাসাস ও দখলদার ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দ্বন্দ্বে ভেঙে চুরমার হয় ইয়াহিয়ার মতো হাজারো গাজাবাসীর স্বপ্ন। আন সার্টেইন রিগার্ড ক্যাটাগরিতে সিনেমাটি প্রদর্শিত হয় উৎসবে।আয়েশা ক্যান’ট ফ্লাই অ্যাওয়ে 

‘আমি শাকিব খানের মতো হতে চাই’

শাকিব খানের এই অর্জনকে ঘিরে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সেই তালিকায় ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনাও।একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি নিজের দুটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার থেকে আসার পথে নিজের এই ছবিটা নিজেই তুললাম, মনে মনে অনেক কিছু ঠিক করার পর মনে হলো এই মুহূর্তের ছবি তুলে রাখি। আজকের (গতকালের) অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ শাকিব খান। তার ক‍্যারিয়ারের ২৫ বছর পূর্তি। কী বিশাল আনন্দের কথা। ২৫ বছর। শেষ পুরস্কারটি ছিল সেরা অভিনেতার, শাকিব খান জিতে নিলেন সেরা অভিনেতার পুরস্কার এবং তিনি স্টেজে যে কথাগুলো বললেন, তা হাঁ করে শুনছিলাম আমি।’ তিনি আরও লেখেন, ‘পাশের মানুষরাই নাকি বলেছিলেন আরে তুমি এখন ডেড হর্স।’ আসলে একজন শিল্পী ভীষণ একা। কারণ শিল্পী তার দর্শকের কথা ভেবে কাজ করে যান আর শাকিব খানের মতো মেগাস্টার হতে হলে অনেক ধৈয‍্য, অনেক সাধনার প্রয়োজন।’নিজেও শাকিব খানের মতো হতে চান জানিয়ে ভাবনা লেখেন, ‘শাকিব খান, আপনার কাছ থেকে আমি আজকে অনেক অনুপ্রেরণা নিয়ে ফিরলাম। একজন অভিনেতা শাকিব খান আমাকে মুগ্ধ করেছে আরো একবার। সব তাচ্ছিল্য, অপমান, মিথ্যা অপবাদ, মিডিয়া ট্রায়াল। কত শত বাদ পড়ে যাওয়া একদিন সুদে আসলে ফিরিয়ে দেবে আমাকে আমার কর্ম। আমি কাজের মাধ্যমেই আপনার সামনে আসব। আবারও বলি। আমি শাকিব খানের

‘আমি শাকিব খানের মতো হতে চাই’

‘ইন্ডাস্ট্রিতে নারীপ্রধান সিনেমাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত’

দেশের শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখ মেহজাবীন চৌধুরীর ক্যারিয়ার প্রায় দেড় দশকের। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে বহু সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। আবারও পুরস্কারে ভূষিত হলেন অভিনেত্রী। গত বছরের ডিসেম্বরে ‘প্রিয় মালতী’ সিনেমা দিয়ে বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন মেহজাবীন। শঙ্খ দাশগুপ্তের সিনেমাটিতে মালতী চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান। এবার সেই ‘প্রিয় মালতীর’ জন্য মেরিল-প্রথম আলোর জোড়া পুরস্কার পেয়েছেন অভিনেত্রী। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভক্ত-অনুসারীদের সঙ্গে পরিবারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান মেহজাবীন।‘প্রিয় মালতী’র জন্য শুরুর দিকে মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন। কারণ এবারের আসরে সেরা চলচ্চিত্রের (পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র/চলচ্চিত্র) পুরস্কার পায় ‘প্রিয় মালতী’। সে কারণে পুরস্কার গ্রহণ করার কথা সিনেমাটির প্রযোজক আদনান আল রাজীবের। কিন্তু নির্মাতা ও প্রযোজক ফ্রান্সের কান চলচ্চিত্র উৎসবে রয়েছেন। নিজের সিনেমা ‘আলী’র প্রদর্শনী নিয়ে ব্যস্ত আছেন তারা। তাই নির্মাতা, সহপ্রযোজকের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন।পরে ‘প্রিয় মালতী’র জন্য আরও দুবার মঞ্চে যান অভিনেত্রী। কারণ সমালোচক ও তারকা জরিপ—দুই বিভাগেই ‘প্রিয় মালতী’র জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। নিজের মুক্তি পাওয়া প্রথম সিনেমাতেই জোড়া পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত মেহজাবীন প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, আপনাদের ভালোবাসার কারণে এতগুলো বছর ধরে আমি এ পুরস্কার পেয়ে যাচ্ছি। 'প্রিয় মালতী'র জন্য পুরস্কার পেয়ে আরও ভালো লাগছে। কারণ প্রিয় মালতীর মতো গল্প আরও হওয়া উচিত।বেশি করে নারীপ্রধান সিনেমা নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে মেহজাবীন বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে সব ধরনের গল্প হবে, সব ধরনের সিনেমা হবে, কিন্তু নারীদের নিয়ে নারীপ্রধান যে গল্পগুলো থাকে, সেগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। দেখা যায়, নারীপ্রধান গল্প মানেই একটা স্ট্রাগলের (সংগ্রাম) গল্প হবে কিংবা একটু আর্ট ফিল্ম হবে— এমনটাই ধারণা থাকে সবার। কিন্তু না, ইন্ডাস্ট্রি চেঞ্জ হচ্ছে, গল্প বলার ধরনও বদলাচ্ছে— এ পরিবর্তনটাকে আমাদের স্বাগত জানানো উচিত।উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ মে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় ‘গ্রিন-ই সম্পূর্ণা বাংলাদেশ ২০২৫’ সম্মাননায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার বোন মালাইকা চৌধুরী পুরস্কৃত হন। সেই সময় এ আয়োজন প্রস

‘ইন্ডাস্ট্রিতে নারীপ্রধান সিনেমাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত’

‘ইন্ডাস্ট্রিতে নারীপ্রধান সিনেমাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত’

দেশের শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখ মেহজাবীন চৌধুরীর ক্যারিয়ার প্রায় দেড় দশকের। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে বহু সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। আবারও পুরস্কারে ভূষিত হলেন অভিনেত্রী। গত বছরের ডিসেম্বরে ‘প্রিয় মালতী’ সিনেমা দিয়ে বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন মেহজাবীন। শঙ্খ দাশগুপ্তের সিনেমাটিতে মালতী চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান। এবার সেই ‘প্রিয় মালতীর’ জন্য মেরিল-প্রথম আলোর জোড়া পুরস্কার পেয়েছেন অভিনেত্রী। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভক্ত-অনুসারীদের সঙ্গে পরিবারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান মেহজাবীন।‘প্রিয় মালতী’র জন্য শুরুর দিকে মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন। কারণ এবারের আসরে সেরা চলচ্চিত্রের (পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র/চলচ্চিত্র) পুরস্কার পায় ‘প্রিয় মালতী’। সে কারণে পুরস্কার গ্রহণ করার কথা সিনেমাটির প্রযোজক আদনান আল রাজীবের। কিন্তু নির্মাতা ও প্রযোজক ফ্রান্সের কান চলচ্চিত্র উৎসবে রয়েছেন। নিজের সিনেমা ‘আলী’র প্রদর্শনী নিয়ে ব্যস্ত আছেন তারা। তাই নির্মাতা, সহপ্রযোজকের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন।পরে ‘প্রিয় মালতী’র জন্য আরও দুবার মঞ্চে যান অভিনেত্রী। কারণ সমালোচক ও তারকা জরিপ—দুই বিভাগেই ‘প্রিয় মালতী’র জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। নিজের মুক্তি পাওয়া প্রথম সিনেমাতেই জোড়া পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত মেহজাবীন প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, আপনাদের ভালোবাসার কারণে এতগুলো বছর ধরে আমি এ পুরস্কার পেয়ে যাচ্ছি। 'প্রিয় মালতী'র জন্য পুরস্কার পেয়ে আরও ভালো লাগছে। কারণ প্রিয় মালতীর মতো গল্প আরও হওয়া উচিত।বেশি করে নারীপ্রধান সিনেমা নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে মেহজাবীন বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে সব ধরনের গল্প হবে, সব ধরনের সিনেমা হবে, কিন্তু নারীদের নিয়ে নারীপ্রধান যে গল্পগুলো থাকে, সেগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। দেখা যায়, নারীপ্রধান গল্প মানেই একটা স্ট্রাগলের (সংগ্রাম) গল্প হবে কিংবা একটু আর্ট ফিল্ম হবে— এমনটাই ধারণা থাকে সবার। কিন্তু না, ইন্ডাস্ট্রি চেঞ্জ হচ্ছে, গল্প বলার ধরনও বদলাচ্ছে— এ পরিবর্তনটাকে আমাদের স্বাগত জানানো উচিত।উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ মে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় ‘গ্রিন-ই সম্পূর্ণা বাংলাদেশ ২০২৫’ সম্মাননায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার বোন মালাইকা চৌধুরী পুরস্কৃত হন। সেই সময় এ আয়োজন প্রস

‘ইন্ডাস্ট্রিতে নারীপ্রধান সিনেমাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত’

শাকিবের বিশেষ সম্মাননায় অপু-বুবলীর পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাস

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের ২৬তম আসর বসেছিল গতকাল শুক্রবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে। সেখানে অনুষ্ঠানের বড় চমক ছিলেন ঢালিউড কিং শাকিব খানের উপস্থিতি। ঢালিউডে এ তারকা ২৫ বছর ধরে চলচ্চিত্রশিল্পে অবদান রেখে চলেছেন। তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এক বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের রজতজয়ন্তীর বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন স্কয়ার টয়লেট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী ও নির্মাতা মতিন রহমানএ পুরস্কার পাওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে শাকিব খানকে শুভেচ্ছা জানান ভক্তরা। সেই সঙ্গে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে নায়কের প্রশংসাও করেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী শবনম বুবলী। অভিনেতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিনেত্রী। তিনি জানান দেন তার ভালোবাসা এখনো অটুট রয়েছে। শবনম বুবলী তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন—আমাদের চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী, মেগাস্টার, ওয়ান অ্যান্ড অনলি শাকিব খান। বাংলা চলচ্চিত্রে যিনি ২৫ বছর ধরে অবদান রেখে চলেছেন। মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার থেকে বিশেষ সম্মাননা পাওয়ায় অনেক বেশি অভিনন্দন।শবনম বুবলীর স্ট্যাটাসের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে শাকিব খানের হাতে রজতজয়ন্তী সম্মাননা তুলে দেওয়া হচ্ছে পদক— এমন একটি ছবি পোস্ট করে অপু বিশ্বাস ক্যাপশনে লিখেছেন— অভিনন্দন, মাই কিং- শাকিব খান।প্রসঙ্গত, শুক্রবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের ২৬তম আসরে তারকাদের পদচারণায় ভরে ওঠে লালগালিচা। এবার তারকা জরিপে সেরা চলচ্চিত্র অভিনেতা হয়েছেন শাকিব খান। রায়হান রাফী পরিচালিত ‘তুফান’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য এ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।এদিকে কুরবানির ঈদে মুক্তি পাচ্ছে শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘তাণ্ডব’। ইতোমধ্যে প্রকাশ হয়েছে সিনেমাটির টিজার। এ সিনেমার টিজারে শাকিবের দলবদ্ধ তাণ্ডবে মুগ্ধ সিনেমাপ্রেমীরা। এবার 'তাণ্ডব'-এর তাণ্ডব ঘটিয়ে নতুন লুকে হাজির হচ্ছে তিনি। এ সিনেমায় শাকিব খানকে দুর্দান্ত অ্যাকশন হিরো রূপে দেখা গেলেও পর্দার বাইরে কিং খান যে গ্ল্যামার ও ব্যক্তিত্বের অনন্য ছাপ দিচ্ছেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার প্রমাণ— সদ্যই বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের রজতজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন শাকিব খান। এমন সুসংবাদের মাঝে নতুন রূপে ধরা দিলেন কিং। 

শাকিবের বিশেষ সম্মাননায় অপু-বুবলীর পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাস
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

 সারাদেশ সারাদেশ

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

সাহিত্য

জীবনের চারিপাশ

জীবনের চারিপাশ

কালো আঁধারে রয়েছে ঢেকে আজ জীবনঘেরা চারিপাশ,চলছি একা নিভৃতে কালো আঁধারের মাঝে,একাকী জীবন।হতাশায় ছন্নছাড়া আঁকড়ে রয়েছে আজ দেহমন। তবুও জীবন আশাছন্ন আমার এক পথ চলা।চারিদিকে ছদ্মবেশী বহুরূপী মিথ্যের মাকড়শার মাঝে,ক্ষণে ক্ষণে ক্ষতবিক্ষত হয়ে, হৃদয় যাচ্ছে দুমড়েমুচড়ে আঘাতে আঘাতে দেহমন আজ লৌহ-ইস্পাত।ধীরে ধীরে নিজেও যেন যাচ্ছি হয়ে, সেই বহুরূপী। পাপের প্রেতাত্মা করছে ভড়,বিবেকের বেড়াজালে।নিজেকেই যেনো চিনতে নাহি পারছি আজ।নিষ্পাপ হয়েও রইলাম আমি, বন্দী কাঠগড়ায় কুচক্রীরা খুঁজে পেলো আজ,নিষ্পাপ দমানোর কাজ।নিরপরাদ হয়েও আজ বড় অপরাধী।যাদের দিলাম বুকভরা ভালোবাসা, তারাই হলো আজ পর।সুখে দুঃখে ছিলাম পাশে,নেই তারা আজ আমার পাশে।সময় বলে ছিলো এক কথা, বুঝলো না তারা আজ।দিনের পরে রাত, রাতের পরে দিন আসবেই চিরকাল। চিৎকার করে কাঁদিতে পারিনা আমি,লোকালয়ের ভয়ে। মনখুলে বলিতে পারিনা আমি,পরিস্থিতি ছিলোনা আমার অনুকূলে। হৃদয়ের  হৃদপিন্ডের মাংসগুলো, চিঁড়ে চিঁড়ে খাচ্ছে আমায়।কিভাবে বোঝাবো জীবনের চারিপাশ, আজ আমার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন।