দৈনিক পল্লী বাংলা
সর্বশেষ

জাতীয়

মতামতমতামত

বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির সম্ভাবনা

কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, জ্বালানি ও শিল্পখাতে বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে; তবে নীতিগত জটিলতা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর অগ্রগতি ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এআইইউবি (AIUB)-এর সিএনআর (CNR) এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিভিন্ন উদ্যোগের মতো গবেষণা কেন্দ্রগুলো গড়ে উঠছে, তবুও একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনে বিলম্বের ফলে মেধাপাচার (brain drain) ও সুযোগ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির বর্তমান অবস্থা1.সরকারি স্বীকৃতি: 'প্রেসপেক্টিভ প্ল্যান ২০২১–২০৪১' এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ আইসিটি মাস্টার প্ল্যান ২০৪১'-এ ন্যানোপ্রযুক্তিকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।2.গবেষণা কেন্দ্রসমূহ: সেন্টার ফর ন্যানোটেকনোলজি রিসার্চ (সিএনআর), এআইইউবি (প্রতিষ্ঠা: ২০২০) ন্যানোইলেকট্রনিক্স, ন্যানোমেডিসিন, ন্যানো-কৃষি এবং গ্রিন ন্যানোটেকনোলজির ওপর গুরুত্বারোপ করে।বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি): সাভারে একটি ন্যানোপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও বাজেট ও নীতিগত বিতর্কের কারণে এর অগ্রগতি থমকে আছে।পাইলট প্রকল্প: অ্যাক্রাইলিক পলিমার প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিলেটে ন্যানোপ্রযুক্তি-ভিত্তিক পরিবেশবান্ধব সড়ক নির্মাণ।প্রধান সম্ভাবনাসমূহ১. কৃষি: টেকসই উপায়ে ফসলের ফলন বাড়াতে ন্যানো-সার। পরিবেশের ওপর প্রভাব কমিয়ে নিখুঁত বা সুনির্দিষ্ট কৃষিকাজের (Precision farming) জন্য ন্যানো-কীটনাশক। গ্রামীণ বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সম্ভাবনা।২. স্বাস্থ্যসেবা : ক্যান্সার ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসায় সুনির্দিষ্টভাবে ওষুধ প্রয়োগ (Targeted drug delivery)। ডায়াবেটিস, ফুসফুসের রোগ এবং অন্যান্য জটিল শারীরিক অবস্থা দ্রুত শনাক্তকরণের জন্য ন্যানো-সেন্সর। পোশাক ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বা জীবাণু-প্রতিরোধী কাপড় তৈরি।৩. জ্বালানি ও পরিবেশ : সৌরকোষের (Solar cells) কার্যকারিতা বাড়াতে ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালের ব্যবহার। পানি বিশুদ্ধকরণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ন্যানো-ফিল্টার। ন্যানো-ক্যাটালিস্ট বা প্রভাবক ব্যবহার করে পানি বিভাজনের মাধ্যমে হাইড্রোজেন উৎপাদনের সম্ভাবনা।৪. শিল্প ও আইসিটি (ICT) : পোশাক শিল্পে স্মার্ট টেক্সটাইল বা প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ কাপড়ের ব্যবহার। আইসিটি উদ্ভাবনের জন্য নমনীয় ইলেকট্রনিক্স (flexible electronics) এবং কোয়ান্টাম যোগাযোগ ব্যবস্থা। কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদান।সম্ভাবনা বনাম চ্যালেঞ্জসম্ভাবনা : ন্যানো-সারের মাধ্যমে টেকসই কৃষি জাতীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনে নীতিগত বিলম্ব । ন্যানো-ম্যাটেরিয়ালের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তি । স্মার্ট টেক্সটাইল ও আইসিটি উদ্ভাবন আমদানিকৃত প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা ।চ্যালেঞ্জ  : উন্নত স্বাস্থ্যসেবা রোগ নির্ণয় ও ওষুধ প্রয়োগ তহবিল ও অবকাঠামোর অভাব । তরুণ বিজ্ঞানীদের দেশত্যাগের (ব্রেইন ড্রেইন) ঝুঁকি । পানি বিশুদ্ধকরণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতার অভাব । ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা : নীতিগত জটিলতা দীর্ঘমেয়াদী কৌশল বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। মেধা পাচার (Brain drain): সুযোগের অভাবে প্রতিভাবান গবেষকরা দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারেন। পরীক্ষামূলক পর্যায়: অনেক প্রয়োগই এখনও পাইলট বা গবেষণাগারের পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। আমদানির ওপর নির্ভরতা: বর্তমান প্রকল্পগুলো প্রায়শই স্থানীয় উদ্ভাবনের পরিবর্তে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।উপসংহার : ন্যানো-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে—বিশেষ করে কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং নবায়নযোগ্য শক্তির খাতে—যা দেশের এসডিজি (SDG) ২০৩০ লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এই সুবিধাগুলো পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশকে নীতি বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে হবে, অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই পদক্ষেপগুলো না নিলে বাংলাদেশ এমন একটি ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে পড়বে, যা তার অর্থনীতি ও টেকসই ভবিষ্যতের রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম।

বাংলাদেশে পিকেএল (PKL) বিদ্যুতের সম্ভাবনা

বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার জন্য সৌরশক্তির একটি সাশ্রয়ী এবং দিন-রাত ও বর্ষাকালেও কার্যকর বিকল্প হিসেবে 'পাথরকুচি পাতা' বা PKL (Pathor Kuchi Leaf) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। তবে এটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে এবং এর দক্ষতা, বড় পরিসরে প্রয়োগযোগ্যতা ও স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। গবেষকরা বিদ্যুৎ-সংযোগহীন (অফ-গ্রিড) এলাকায় সহায়তা প্রদান, মোবাইল চার্জিং এবং এলইডি (LED) বাতি জ্বালানোর ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন; তবে ব্যাপক ব্যবহারের জন্য এর আরও উন্নয়ন প্রয়োজন।বাংলাদেশে PKL বিদ্যুতের গুরুত্ব ১. গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের ঘাটতি: বাংলাদেশে এখনও লক্ষ লক্ষ মানুষ নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত, বিশেষ করে বিদ্যুৎ সংযোগহীন গ্রামগুলোতে।২. সৌরশক্তির (SPV) সীমাবদ্ধতা: সৌরশক্তি রাত ও বর্ষাকালে কাজ করে না; এক্ষেত্রে চকখ-এর নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা একটি বড় সুবিধা।৩. স্থানীয় উদ্ভাবন: PKL বিদ্যুৎকে অনেক সময় "বাংলা বিদ্যুৎ" বলা হয়, কারণ এটি সর্বপ্রথম বাংলাদেশে উদ্ভাবন করেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আলম খান।প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা১. শক্তির উৎস: PKL বা পাথরকুচি পাতায় (বৈজ্ঞানিক নাম: Bryophyllum pinnatum) ম্যালিক, সাইট্রিক ও আইসো-সাইট্রিকের মতো জৈব অ্যাসিড থাকে, যা ইলেক্ট্রোলাইট বা বিদ্যুৎ-পরিবাহী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।২. ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল বা তড়িৎ-রাসায়নিক বিন্যাস: সাধারণত পাথরকুচি পাতার নির্যাস বা রসের সাথে জিঙ্ক (Zn) ও কপার (Cu)-এর ইলেকট্রোড ব্যবহার করা হয়।কার্যক্ষমতা:১. ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য ১ কিলোওয়াট (kW) ক্ষমতার PKL মাইক্রো-পাওয়ার সিস্টেম পরীক্ষা করা হয়েছে।২. সৌরশক্তির বিপরীতে এটি দিন ও রাত উভয় সময়েই কাজ করে।৩. এর মাধ্যমে মোবাইল ফোন, এলইডি বাতি এবং ছোটখাটো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চালানো সম্ভব।দক্ষতা: গবেষণায় দেখা গেছে যে এর শক্তি রূপান্তরের দক্ষতা প্রায় ৬৫% এবং অভ্যন্তরীণ রোধ (internal resistance) প্রায় ০.৬ ওহম।তুলনামূলক পর্যালোচনা: PKL বনাম সোলার পিভি (Solar PV) বৈশিষ্ট্য সোলার পিভি PKL বিদ্যুৎ কার্যকারিতা শুধুমাত্র দিনের বেলা দিন-রাত ও সব আবহাওয়ায় বর্ষাকালে নির্ভরযোগ্যতা কম স্থিতিশীল খরচ প্রাথমিক বিনিয়োগ বেশি কম খরচ, স্থানীয়ভাবে লভ্য সম্প্রসারণযোগ্যতা বৈশ্বিকভাবে প্রমাণিত উদীয়মান ক্ষুদ্র পরিসর ব্যবহারের ক্ষেত্র গৃহস্থালি, শিল্প, গ্রিড গ্রামীণ অফ-গ্রিড এলাকা, মোবাইল চার্জিং সীমাবদ্ধতা সূর্যালোক ও স্টোরেজ ব্যাটারির প্রয়োজন                দক্ষতা ও স্থায়িত্বজনিত সমস্যা  চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি১. পরীক্ষামূলক পর্যায়: PKL এখনও বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়নি।২. দক্ষতা সংক্রান্ত উদ্বেগ: সময়ের সাথে ভোল্টেজ ও কারেন্ট কমে যায়; অভ্যন্তরীণ রোধ (internal resistance) আদর্শ মানের চেয়ে বেশি।৩. স্থায়িত্ব: PKL সেলের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা উন্নয়নের প্রয়োজন।৪. সম্প্রসারণযোগ্যতা: বর্তমান ব্যবস্থাগুলো ক্ষুদ্র পরিসরের; শিল্পক্ষেত্রে এর ব্যবহার অনিশ্চিত।ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা১. গ্রামীণ ক্ষমতায়ন: PKL গ্রামের যোগাযোগ, শিক্ষা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে।২. হাইব্রিড ব্যবস্থা: সোলারের সাথে PKL -এর সমন্বয় ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে পারে।৩. উপজাত পণ্য: PKL সেল থেকে জিঙ্ক বর্জ্য (যা সার হিসেবে ব্যবহারযোগ্য) ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়, যা অর্থনৈতিক মূল্য যোগ করে।৪. গবেষণার দিক: দক্ষতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ রোধ কমানো এবং কমিউনিটি-স্তরের গ্রিড পর্যন্ত সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া ।সারসংক্ষেপ বাংলাদেশের গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের ক্ষেত্রে PKL বিদ্যুৎ একটি সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন; যেখানে সোলার ব্যবস্থা হিমশিম খায়, সেখানে এটি নিরবচ্ছিন্ন ও কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম। তবে, মূলধারার জ্বালানি সমাধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে একে দক্ষতা ও সম্প্রসারণযোগ্যতা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন
১

পঞ্চগড়ে ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের প্রেমের সম্পর্ক, সুষ্ঠু বিচার চেয়ে ছাত্রীর অভিযোগ

২

‘গাজীপুর বন বিভাগ’ প্রতিষ্ঠাসহ বন ও পরিবেশ সুরক্ষায় ৫ দফা দাবি ‘গাপা’ ও পিআইডি ট্রাস্টের

৩

একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৭২ রানে হারলো বাংলাদেশ নারী দল

৪

১৫ অক্টোবর ঢাবি শোক দিবস: বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা

৫

জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের মূল দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান

৬

বন্ধের সাত মাস পর উৎপাদনে ফিরল জামালপুরের যমুনা সার কারখানা

৭

শুধু পড়াশোনা নয়, শিশুদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতেও দক্ষ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

৮

প্রথম প্রান্তিকে আয় বেড়েছে চীন, ভারত ও কোরিয়ায়

৯

বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে ২০২৬ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার

১০

বাগেরহাটে দেশবিরোধী ষড়যুদ্ধে প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ

সর্বশেষ সব খবর
১

বাংলাদেশে ন্যানোপ্রযুক্তির সম্ভাবনা

২

রাস্তার দু-পাশে জঙ্গল পরিস্কার করছে পুলিশ ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ

৩

নৈরাজ্য ঠেকাতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

৪

বাংলাদেশে পিকেএল (PKL) বিদ্যুতের সম্ভাবনা

৫

কোনাবাড়িতে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের উদ্ধোধন করেন জিসিসির প্রশাসক

৬

বাগেরহাটে দেশবিরোধী ষড়যুদ্ধে প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ

৭

গাজীপুরে প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করেন শওকত হোসেন সরকার

৮

গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

৯

কাশিমপুরে গিয়াসউদ্দিন সরকার ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনী ম্যাচে বিজয়ী বারেন্ডা যুব সংঘ

১০

গাজীপুরে নৈরাজ্য ঠেকাতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

জনপ্রিয় সব খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!

জাতীয়

জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের মূল দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান

জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের মূল দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান

জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, “জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দেয়, তা পূরণে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের পূর্ণ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টির জন্য নয়, বরং তাদের অধিকার ও সেবা নিশ্চিত করার কাজে ব্যবহার করতে হবে।”মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন), স্থানীয় সরকার বিভাগ আয়োজিত ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “গ্রামাঞ্চলের স্বল্পশিক্ষিত মানুষ একটি সামান্য জন্ম নিবন্ধনের সনদের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে দিনের পর দিন ঘুরছেন—এই অবস্থার অবসান ঘটাতে হবে। নির্বাচিত সরকারের মূল লক্ষ্যই হবে জনগণের সুবিধা নিশ্চিত করা। শুধু প্রযুক্তি দিয়ে সেবা হয় না, প্রযুক্তির পেছনে থাকা মানুষগুলোকে দায়িত্বশীল হতে হবে।”তিনি আরও বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সঠিক ডাটাবেজ জাতীয় প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার চেয়ে নিবন্ধন ডাটাবেজে তথ্য বেশি থাকা উদ্বেগের বিষয়। আগামীতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ধরনের অসঙ্গতি দূরীকরণে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, দেশে বিভিন্ন সময়ে বাস্তবায়িত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ও জাতীয় সামাজিক কাঠামোর পেছনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে।স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মী, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশন ঢাকার হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

শুধু পড়াশোনা নয়, শিশুদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতেও দক্ষ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শুধু পড়াশোনা নয়, শিশুদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতেও দক্ষ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশের প্রতিটি শিশুর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি, সংগীত ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে ‘শিশু অধিকার দিবস-২০২৬’ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী) উপলক্ষে আয়োজিত প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রতিটি শিশুর মধ্যে কোনো না কোনো বিশেষ গুণ বা প্রতিভা লুকিয়ে রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের সেই সুযোগটি তৈরি করে দেওয়া, যাতে তারা নিজেদের বিকশিত করতে পারে। শিশুরা পরিবারের ভিত্তি; তারা সঠিকভাবে বেড়ে উঠলে পরিবারের পাশাপাশি রাষ্ট্রের ভিত্তিও মজবুত হবে। আজকের শিশুদের যথাযথভাবে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে তারা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশকে সফল নেতৃত্ব দেবে।”বক্তব্যে শিশুদের বহুমুখী শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রতিটি শিশু যেন শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত বা খেলাধুলার অন্তত একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সে জন্য ২০২৭ বা ২০২৮ সাল থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এছাড়া ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বাংলা ও ইংরেজির বাইরে আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান ও জাপানির মতো তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ সৃষ্টির কথা জানান তিনি।শিশুদের কেবল দক্ষ নয়, বরং মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তোমাদেরকে দেশের প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি মানবিক হতে হবে। গাছপালা রক্ষা করা ও চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকার এমন একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে মানুষ প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের প্রতি সদয় হবে।”মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন, তাঁদের আঁকা ছবি ও ফটো গ্যালারি পরিদর্শন করেন এবং শিশু জাদুঘর ভবনে সোলার প্যানেল ও সাব-স্টেশন উদ্বোধন করেন।

গ্লোবাল মঞ্চে বাংলাদেশের নতুন বার্তা

গ্লোবাল মঞ্চে বাংলাদেশের নতুন বার্তা

বিশ্বমঞ্চে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ পরিষদের সাধারণ আলোচনা পর্বে দেশের সার্বিক উন্নয়ন রূপকল্প, সার্বভৌম স্বার্থ এবং বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বক্তৃতা রাখার কথা রয়েছে তাঁর। জাতিসংঘে ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা : প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর জিয়া পরিবারের ৩য় প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাশ্রয়ী ও সংক্ষিপ্ত সফরসঙ্গী দল : রাষ্ট্রীয় কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবে মাত্র ৩৮ সদস্যের একটি সুসংগঠিত ও সংক্ষিপ্ত প্রতিনিধি দল নিয়ে নিউইয়র্ক পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বিশ্ব নেতাদের সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক : সম্মেলনের ফাঁকে বৈশ্বিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য প্রসার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন তিনি।মূল এজেন্ডা : নতুন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন।প্রত্যাবাসন ইস্যুতে জোরদার : রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও তাঁদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকার দাবি।দ্বিপক্ষীয় কূটনীতি : মার্কিন প্রশাসনসহ উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি।

দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী

দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।দাম বাড়ানোর কারণে জনগণের যে কষ্ট হবে, তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে অব্যাহতভাবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংকট প্রতিদিন নতুন মাত্রায় আমাদের সামনে আবির্ভূত হচ্ছে। এর ফলশ্রুতিতে বিমার প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়া বাড়ছে। এ অবস্থায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের পক্ষে এ মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরকম একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জনগণের জীবনমানের কষ্ট লাঘবের অভিপ্রায়ে রাজনীতিতে এসেছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনগণের যে কষ্ট হবে, এটি আমি উপলব্ধি করি।তিনি বলেন, সরকার উপায়হীন না হলে এমন অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে চাইতো না। তবে চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম আবারও সমন্বয় করে আগের পর্যায়ে বা তার চেয়েও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।

 রাজনীতি রাজনীতি

বাগেরহাটে দেশবিরোধী ষড়যুদ্ধে প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ

বাগেরহাটে দেশবিরোধী ষড়যুদ্ধে প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ

সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাগেরহাটের খানজাহান আলী মাজার মোড়ে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন। বাগেরহাট জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফকির তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের শীর্ষনেতৃবৃন্দ।সমাবেশে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশে যে কোনো ধরনের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজপথে ঐক্যবদ্ধ থাকবে। কোনো অপশক্তিকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে দেওয়া হবে না।উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: শেখ ওয়াহিদুজ্জামান পল্টু, সদস্য, বাগেরহাট জেলা বিএনপি, শেখ আব্দুল কালাম আজাদ বুলু, সাধারণ সম্পাদক, বাগেরহাট সদর উপজেলা বিএনপি, কামরুজ্জামান শিমুল, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাগেরহাট সদর উপজেলা বিএনপি, শেখ মহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা, শরীফ মোস্তফা জামাল লিটু, সভাপতি, বন্ধু দল, আবুল কাশেম সেলিম ভূঁইয়া, শ্রমিক দল নেতা, আবু হানিফ শানু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাগেরহাট জেলা শ্রমিক দল, শেখ হারুনুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক, বাগেরহাট জেলা মৎস্যজীবী দল, আবদুস সালাম জুয়েল, সাবেক সদস্য সচিব, বাগেরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, ডালিম ফকির, সদস্য সচিব, বাগেরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, মিসেস মনির ইসলাম, মহিলা দল নেত্রী এছাড়াও বাগেরহাট সদর উপজেলার সকল ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

০৫ অক্টোবর ২০২৬
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

 খেলা খেলা

একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৭২ রানে হারলো বাংলাদেশ নারী দল

একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৭২ রানে হারলো বাংলাদেশ নারী দল

অস্ট্রেলিয়া সফরের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে পরাজয় দিয়ে সূচনা করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ব্রিজবেনে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি ম্যাচে কুইন্সল্যান্ড নারী দলের কাছে ডাকওয়ার্থ-লুইস (ডিএলএস) বৃষ্টি আইনে ৭২ রানে হেরেছে টাইগ্রেসরা।বৃষ্টির কারণে ৩৬ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৬৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় কুইন্সল্যান্ড। দলের অধিনায়ক চার্লি নট ৬৪ বলে ৯৪ এবং গ্রেস হ্যারিস ৫০ বলে ৭৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশের হয়ে তরুণ পেসার হাবিবা ইসলাম ৭ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৪টি এবং মারুফা আক্তার ৮ ওভারে ৬৪ রানে ২ উইকেট শিকার করেন।২৬৭ রানের সংশোধিত টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩৭ রান তোলেন ফারজানা হক (১৬) ও শারমিন সুলতানা (২৮)। তবে অধিনায়ক নিগার সুলতানা শূন্য রানে বিদায় নিলে ৫৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।চতুর্থ উইকেটে ১১২ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান শারমিন আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। শারমিন ৬৭ বলে ৬টি চারে ৬৮ রান করে আউট হন। তবে সোবহানা ১ রানের জন্য হাফ-সেঞ্চুরি মিস করে ৫৪ বলে ৪৯ রান (৪টি চার ও ২টি ছক্কা) বানিয়ে ফেরেন। পরবর্তীতে আর কোনো ব্যাটার সুবিধা করতে না পারলে ৩৬ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯৬ রানে থমকে যায় বাংলাদেশ। কুইন্সল্যান্ডের নিকোলা হ্যানকক নেন ৩টি উইকেট।উল্লেখ্য, আগামী ৯ অক্টোবর থেকে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া নারী দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামবে বাংলাদেশ নারী দল।

১০ ঘণ্টা আগে

 বিনোদন বিনোদন

বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে ২০২৬ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার

বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে ২০২৬ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার

চলতি বছরের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার কোনো চীনা বা ক্যারিবীয় নারী লেখকের হাতে উঠতে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন সাহিত্য সমালোচকেরা। ঐতিহাসিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বের পুরুষ লেখকদের আধিক্য থাকা এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে আরও বৈচিত্র্য আনার ধারাবাহিকতায় এবারও তেমন সিদ্ধান্ত দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রতিবছরের মতো নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের কোনো প্রকাশ্য সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয় না। পুরস্কার প্রদানকারী ১৮ সদস্যের সুইডিশ একাডেমির মনোনয়ন ও অভ্যন্তরীণ আলোচনা দীর্ঘ ৫০ বছর গোপন রাখা হয়। ফলে নাম ঘোষণার আগে প্রতিবারই স্টকহোমের সাহিত্যাঙ্গনে সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। আগামী বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় (গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১১টা) এবারের নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।এবারের আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন অ্যান্টিগুয়া-আমেরিকান লেখক জ্যামাইকা কিনকেইড (৭৭)। ক্যারিবীয় সংস্কৃতি, পারিবারিক সম্পর্ক, পরিচয়, ঔপনিবেশিকতা ও বর্ণবৈষম্য নিয়ে লেখার জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই প্রশংসিত। অন্যদিকে, চীনের পরীক্ষাধর্মী লেখক কান শুয়েকেও শক্তিশালী দাবিদার মনে করা হচ্ছে, যাঁর লেখার ঢং প্রখ্যাত সাহিত্যিক ফ্রানৎস কাফকার সঙ্গে তুলনা করা হয়।সুইডেনের প্রভাবশালী দৈনিক 'ডাগেনস নিহেটার'-এর সংস্কৃতি সম্পাদক বিওর্ন উইমান ও 'এক্সপ্রেসেন'-এর সাহিত্য সমালোচক ভিক্টর মালম এএফপিকে জানান, জ্যামাইকা কিনকেইডের এই পুরস্কার পাওয়ার সময় এসেছে। তাঁর ১৯৯০ সালের বিখ্যাত উপন্যাস 'লুসি'র মতো সাহিত্যকর্ম নোবেল পাওয়ার স্পষ্ট যোগ্যতা রাখে।উল্লেখ্য, ১৯০১ সালে চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত নোবেল সাহিত্য পুরস্কার পাওয়া ১২২ জন বিজয়ীর মধ্যে নারী মাত্র ১৮ জন। গত বছর হাঙ্গেরির পুরুষ লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাইকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের সংকট কাটিয়ে ওঠার পর থেকে প্রতি দুই বছর পরপর একজন নারী লেখককে নোবেল দেওয়ার একটি প্রবণতা দেখা গেছে। সেই হিসেবে এবারও কোনো নারী লেখকের নোবেল পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখছেন বোদ্ধারা। তবে সুইডিশ একাডেমি বারবারই বলে আসছে, লিঙ্গ বা আঞ্চলিক পরিচয় নয়—মানসম্পন্ন সাহিত্যকর্মই তাদের একমাত্র বিবেচ্য।

ওটিটিতে যা দেখবেন

ওটিটিতে যা দেখবেন

নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ডকুমেন্টারি ফিল্ম ‘এয়ার ফোর্স এলিট: থান্ডারবার্ডস’। এতে দেখা যাবে মার্কিন বিমান বাহিনীর থান্ডারবার্ডস ফ্লাইট স্কোয়াড্রনের ভেতরের দৃশ্য। ডকুমেন্টরিটি নির্মাণ করেছেন ম্যাট উইলকক্স।বিঞ্জে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘নিষিদ্ধ বাসর’। এটি পরিচালনা করেছেন নুরুল আলম আতিক। এতে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, মনোজ প্রামাণিক, শিল্পী সরকার অপু প্রমুখ।বঙ্গতে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘টাকার মেশিন’। নির্মাণ করেছেন কামরুল জিন্নাহ। এতে অভিনয় করেছেন রাকিব হোসেইন ইভন, অশোক বেপারী, মোমেনা চৌধুরী, আরফান মৃধা শিবলু, ইমেল হক প্রমুখ। হইচইতে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘বিষহরি’। এটি নির্মাণ করেন সৃজিত রয়। এতে অভিনয় করেন সোলাঙ্কি রয়, রোহান ভট্টাচার্য, শঙ্কর চক্রবর্তী, কৌশিক রয় প্রমুখ।আইস্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘দূর্ঘটনা কবলিত স্বামী’। এটি পরিচালনা করেছেন জাকিউল ইসলাম রিপন। এতে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ ও সাফা কবির প্রমুখ।

কান-এর আলোচিত পাঁচ সিনেমা

সারা বিশ্বই এখন অবরুদ্ধ গাজার প্রতিদিনের ছবি দেখতে পাচ্ছে। গাজাবাসীর বর্তমান দুর্দশাগ্রস্ত সাম্প্রতিক সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে ধারণা আগামই তুলে ধরেছিলেন জমজ দু’ভাই টারজান নাসের ও আরব নাসের। ২০০৭ সালের পটভূমিতে নির্মিত একটি অপরাধ থ্রিলার হুবহু বর্তমানের চিত্র তুলে ধরেছে- এটাই সিনেমার সার্থকতা। দোকানের মালিক ওসামা এবং উন্নত জীবনের স্বপ্নে বিভোর ইয়াহিয়ার জীবনযন্ত্রণাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে সিনেমার গল্প। কিন্তু হাসাস ও দখলদার ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দ্বন্দ্বে ভেঙে চুরমার হয় ইয়াহিয়ার মতো হাজারো গাজাবাসীর স্বপ্ন। আন সার্টেইন রিগার্ড ক্যাটাগরিতে সিনেমাটি প্রদর্শিত হয় উৎসবে।আয়েশা ক্যান’ট ফ্লাই অ্যাওয়ে 

কান-এর আলোচিত পাঁচ সিনেমা

‘আমি শাকিব খানের মতো হতে চাই’

শাকিব খানের এই অর্জনকে ঘিরে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সেই তালিকায় ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনাও।একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি নিজের দুটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার থেকে আসার পথে নিজের এই ছবিটা নিজেই তুললাম, মনে মনে অনেক কিছু ঠিক করার পর মনে হলো এই মুহূর্তের ছবি তুলে রাখি। আজকের (গতকালের) অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ শাকিব খান। তার ক‍্যারিয়ারের ২৫ বছর পূর্তি। কী বিশাল আনন্দের কথা। ২৫ বছর। শেষ পুরস্কারটি ছিল সেরা অভিনেতার, শাকিব খান জিতে নিলেন সেরা অভিনেতার পুরস্কার এবং তিনি স্টেজে যে কথাগুলো বললেন, তা হাঁ করে শুনছিলাম আমি।’ তিনি আরও লেখেন, ‘পাশের মানুষরাই নাকি বলেছিলেন আরে তুমি এখন ডেড হর্স।’ আসলে একজন শিল্পী ভীষণ একা। কারণ শিল্পী তার দর্শকের কথা ভেবে কাজ করে যান আর শাকিব খানের মতো মেগাস্টার হতে হলে অনেক ধৈয‍্য, অনেক সাধনার প্রয়োজন।’নিজেও শাকিব খানের মতো হতে চান জানিয়ে ভাবনা লেখেন, ‘শাকিব খান, আপনার কাছ থেকে আমি আজকে অনেক অনুপ্রেরণা নিয়ে ফিরলাম। একজন অভিনেতা শাকিব খান আমাকে মুগ্ধ করেছে আরো একবার। সব তাচ্ছিল্য, অপমান, মিথ্যা অপবাদ, মিডিয়া ট্রায়াল। কত শত বাদ পড়ে যাওয়া একদিন সুদে আসলে ফিরিয়ে দেবে আমাকে আমার কর্ম। আমি কাজের মাধ্যমেই আপনার সামনে আসব। আবারও বলি। আমি শাকিব খানের

‘আমি শাকিব খানের মতো হতে চাই’

‘ইন্ডাস্ট্রিতে নারীপ্রধান সিনেমাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত’

দেশের শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখ মেহজাবীন চৌধুরীর ক্যারিয়ার প্রায় দেড় দশকের। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে বহু সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। আবারও পুরস্কারে ভূষিত হলেন অভিনেত্রী। গত বছরের ডিসেম্বরে ‘প্রিয় মালতী’ সিনেমা দিয়ে বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন মেহজাবীন। শঙ্খ দাশগুপ্তের সিনেমাটিতে মালতী চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান। এবার সেই ‘প্রিয় মালতীর’ জন্য মেরিল-প্রথম আলোর জোড়া পুরস্কার পেয়েছেন অভিনেত্রী। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভক্ত-অনুসারীদের সঙ্গে পরিবারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান মেহজাবীন।‘প্রিয় মালতী’র জন্য শুরুর দিকে মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন। কারণ এবারের আসরে সেরা চলচ্চিত্রের (পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র/চলচ্চিত্র) পুরস্কার পায় ‘প্রিয় মালতী’। সে কারণে পুরস্কার গ্রহণ করার কথা সিনেমাটির প্রযোজক আদনান আল রাজীবের। কিন্তু নির্মাতা ও প্রযোজক ফ্রান্সের কান চলচ্চিত্র উৎসবে রয়েছেন। নিজের সিনেমা ‘আলী’র প্রদর্শনী নিয়ে ব্যস্ত আছেন তারা। তাই নির্মাতা, সহপ্রযোজকের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন।পরে ‘প্রিয় মালতী’র জন্য আরও দুবার মঞ্চে যান অভিনেত্রী। কারণ সমালোচক ও তারকা জরিপ—দুই বিভাগেই ‘প্রিয় মালতী’র জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। নিজের মুক্তি পাওয়া প্রথম সিনেমাতেই জোড়া পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত মেহজাবীন প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, আপনাদের ভালোবাসার কারণে এতগুলো বছর ধরে আমি এ পুরস্কার পেয়ে যাচ্ছি। 'প্রিয় মালতী'র জন্য পুরস্কার পেয়ে আরও ভালো লাগছে। কারণ প্রিয় মালতীর মতো গল্প আরও হওয়া উচিত।বেশি করে নারীপ্রধান সিনেমা নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে মেহজাবীন বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে সব ধরনের গল্প হবে, সব ধরনের সিনেমা হবে, কিন্তু নারীদের নিয়ে নারীপ্রধান যে গল্পগুলো থাকে, সেগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। দেখা যায়, নারীপ্রধান গল্প মানেই একটা স্ট্রাগলের (সংগ্রাম) গল্প হবে কিংবা একটু আর্ট ফিল্ম হবে— এমনটাই ধারণা থাকে সবার। কিন্তু না, ইন্ডাস্ট্রি চেঞ্জ হচ্ছে, গল্প বলার ধরনও বদলাচ্ছে— এ পরিবর্তনটাকে আমাদের স্বাগত জানানো উচিত।উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ মে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় ‘গ্রিন-ই সম্পূর্ণা বাংলাদেশ ২০২৫’ সম্মাননায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার বোন মালাইকা চৌধুরী পুরস্কৃত হন। সেই সময় এ আয়োজন প্রস

‘ইন্ডাস্ট্রিতে নারীপ্রধান সিনেমাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত’

‘ইন্ডাস্ট্রিতে নারীপ্রধান সিনেমাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত’

দেশের শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখ মেহজাবীন চৌধুরীর ক্যারিয়ার প্রায় দেড় দশকের। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে বহু সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। আবারও পুরস্কারে ভূষিত হলেন অভিনেত্রী। গত বছরের ডিসেম্বরে ‘প্রিয় মালতী’ সিনেমা দিয়ে বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন মেহজাবীন। শঙ্খ দাশগুপ্তের সিনেমাটিতে মালতী চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান। এবার সেই ‘প্রিয় মালতীর’ জন্য মেরিল-প্রথম আলোর জোড়া পুরস্কার পেয়েছেন অভিনেত্রী। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভক্ত-অনুসারীদের সঙ্গে পরিবারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান মেহজাবীন।‘প্রিয় মালতী’র জন্য শুরুর দিকে মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন। কারণ এবারের আসরে সেরা চলচ্চিত্রের (পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র/চলচ্চিত্র) পুরস্কার পায় ‘প্রিয় মালতী’। সে কারণে পুরস্কার গ্রহণ করার কথা সিনেমাটির প্রযোজক আদনান আল রাজীবের। কিন্তু নির্মাতা ও প্রযোজক ফ্রান্সের কান চলচ্চিত্র উৎসবে রয়েছেন। নিজের সিনেমা ‘আলী’র প্রদর্শনী নিয়ে ব্যস্ত আছেন তারা। তাই নির্মাতা, সহপ্রযোজকের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন।পরে ‘প্রিয় মালতী’র জন্য আরও দুবার মঞ্চে যান অভিনেত্রী। কারণ সমালোচক ও তারকা জরিপ—দুই বিভাগেই ‘প্রিয় মালতী’র জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। নিজের মুক্তি পাওয়া প্রথম সিনেমাতেই জোড়া পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত মেহজাবীন প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, আপনাদের ভালোবাসার কারণে এতগুলো বছর ধরে আমি এ পুরস্কার পেয়ে যাচ্ছি। 'প্রিয় মালতী'র জন্য পুরস্কার পেয়ে আরও ভালো লাগছে। কারণ প্রিয় মালতীর মতো গল্প আরও হওয়া উচিত।বেশি করে নারীপ্রধান সিনেমা নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে মেহজাবীন বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে সব ধরনের গল্প হবে, সব ধরনের সিনেমা হবে, কিন্তু নারীদের নিয়ে নারীপ্রধান যে গল্পগুলো থাকে, সেগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। দেখা যায়, নারীপ্রধান গল্প মানেই একটা স্ট্রাগলের (সংগ্রাম) গল্প হবে কিংবা একটু আর্ট ফিল্ম হবে— এমনটাই ধারণা থাকে সবার। কিন্তু না, ইন্ডাস্ট্রি চেঞ্জ হচ্ছে, গল্প বলার ধরনও বদলাচ্ছে— এ পরিবর্তনটাকে আমাদের স্বাগত জানানো উচিত।উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ মে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় ‘গ্রিন-ই সম্পূর্ণা বাংলাদেশ ২০২৫’ সম্মাননায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার বোন মালাইকা চৌধুরী পুরস্কৃত হন। সেই সময় এ আয়োজন প্রস

‘ইন্ডাস্ট্রিতে নারীপ্রধান সিনেমাগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত’
.
আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

 সারাদেশ সারাদেশ

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

সাহিত্য

জীবনের চারিপাশ

জীবনের চারিপাশ

কালো আঁধারে রয়েছে ঢেকে আজ জীবনঘেরা চারিপাশ,চলছি একা নিভৃতে কালো আঁধারের মাঝে,একাকী জীবন।হতাশায় ছন্নছাড়া আঁকড়ে রয়েছে আজ দেহমন। তবুও জীবন আশাছন্ন আমার এক পথ চলা।চারিদিকে ছদ্মবেশী বহুরূপী মিথ্যের মাকড়শার মাঝে,ক্ষণে ক্ষণে ক্ষতবিক্ষত হয়ে, হৃদয় যাচ্ছে দুমড়েমুচড়ে আঘাতে আঘাতে দেহমন আজ লৌহ-ইস্পাত।ধীরে ধীরে নিজেও যেন যাচ্ছি হয়ে, সেই বহুরূপী। পাপের প্রেতাত্মা করছে ভড়,বিবেকের বেড়াজালে।নিজেকেই যেনো চিনতে নাহি পারছি আজ।নিষ্পাপ হয়েও রইলাম আমি, বন্দী কাঠগড়ায় কুচক্রীরা খুঁজে পেলো আজ,নিষ্পাপ দমানোর কাজ।নিরপরাদ হয়েও আজ বড় অপরাধী।যাদের দিলাম বুকভরা ভালোবাসা, তারাই হলো আজ পর।সুখে দুঃখে ছিলাম পাশে,নেই তারা আজ আমার পাশে।সময় বলে ছিলো এক কথা, বুঝলো না তারা আজ।দিনের পরে রাত, রাতের পরে দিন আসবেই চিরকাল। চিৎকার করে কাঁদিতে পারিনা আমি,লোকালয়ের ভয়ে। মনখুলে বলিতে পারিনা আমি,পরিস্থিতি ছিলোনা আমার অনুকূলে। হৃদয়ের  হৃদপিন্ডের মাংসগুলো, চিঁড়ে চিঁড়ে খাচ্ছে আমায়।কিভাবে বোঝাবো জীবনের চারিপাশ, আজ আমার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন।