ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি উন্নত, সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ আমাদের সবার দেশ। দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হলে সব ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।”মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে উত্তরবঙ্গের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে রংপুর যাওয়ার পথে পাগলাপীর এলাকায় হাজারো জনতার উপস্থিতিতে আয়োজিত পথসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির ওপর আস্থা রাখার জন্য দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই ‘কৃষক কার্ড’ চালু ছাড়াও ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের গুরুদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”মুক্তিযুদ্ধে সকল ধর্মের মানুষের যৌথ অবদানের কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, “যেভাবে সবাই মিলে স্বাধীনতা অর্জন করা হয়েছে, ঠিক তেমনি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্য বজায় রেখে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।” এ সময় সমবেত জনতার কাছে দেশ গড়ায় তাঁদের সমর্থন জানতে চাইলে উপস্থিত মানুষ হাত উঁচিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দেন।এর আগে সকাল পৌনে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাঁকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অভ্যর্থনা জানান। সফরসূচি অনুযায়ী, রংপুর রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে রাজশাহী ও চট্টগ্রামের একাধিক মণ্ডপ পরিদর্শন করে রাতে তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। সফরসঙ্গী হিসেবে মন্ত্রিসভার সদস্য, উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন। এর আগে সকালে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে তিনি রাজধানীর মহাখালী ও বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
অনলাইন জরিপ
রাজনীতি
বিনোদন
মানবতার কবি ও বাউলসম্রাট লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে শেরপুরে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া।আলোচনা সভায় বক্তারা লালন সাঁইয়ের কালজয়ী জীবনদর্শন, কালচারাল ঐতিহ্য ও মানবতাবাদী চিন্তার নানা দিক আলোকপাত করেন। তারা বলেন, লালন সাঁই তাঁর ভাবসংগীত ও দর্শনের মাধ্যমে জাতি, ধর্ম ও বর্ণগত ভেদাভেদ ভুলে সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার জয়গান গেয়ে গেছেন। তাঁর এই প্রেম ও অসাম্প্রদায়িক অদ্বৈত চেতনা আজও আমাদের সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।আলোচনা পর্ব শেষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা লালন সাঁইয়ের অমর গান ও ঐতিহ্যবাহী বাউলসংগীত পরিবেশন করেন।
একটি গানও নিজ হাতে লিখে না রেখেও মৃত্যুর দীর্ঘ ১৩৬ বছর পর ভক্তদের কণ্ঠে ও হৃদয়ে পরম মমতায় বেঁচে আছেন মরমি সাধক ও মানবতাবাদী দার্শনিক ফকির লালন সাঁই। ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেউড়িয়া আখড়াবাড়িতে শনিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে তাঁর তিন দিনব্যাপী তিরোধান স্মরণোৎসব। আগামী ১৯ অক্টোবর (সোমবার) পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন।জাতপাত ও ধর্মীয় ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে মানুষকে স্থান দেওয়া লালন সাঁই ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর) ছেউড়িয়ার আখড়ায় প্রয়াণ লাভ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর থেকেই অনুসারীরা প্রতিবছর ১ কার্তিক দিনটিকে তিরোধান দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন। অধিবাস সেবার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনে প্রচলিত প্রাচীন সাধুরীতি মেনে অষ্টপ্রহরের সাধুসঙ্গ, বাল্যসেবা ও পূর্ণসেবা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।উৎসব উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো ভক্ত ও অনুসারীর পদচারণায় এখন মুখরিত ছেউড়িয়ার আখড়াবাড়ি। আখড়া চত্বরে নিজেদের ঘরানায় ছোট ছোট আসর বসিয়ে দোতারা ও একতারার সুরে সুরে সাঁইজির বাণী ছড়িয়ে দিচ্ছেন সাধুরা। প্রবীণ সাধকদের মতে, বাহ্যিক আড়ম্বর নয়, সহজ মানুষের সহজ আনন্দ ও আত্মশুদ্ধির সাধুসঙ্গের মধ্যেই এ উৎসবের আসল তাৎপর্য নিহিত।মাজার প্রাঙ্গণে সাধুসঙ্গের পাশাপাশি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে লালন একাডেমি চত্বরে তিন দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও লোকসংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এমপি এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালন একাডেমির সভাপতি ও কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদ বিন হাসান। আলোচনা সভা শেষে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত মূল মঞ্চে পরিবেশিত হচ্ছে দেশবরেণ্য বাউল শিল্পীদের লালন সংগীত। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো ছেউড়িয়া এলাকায় নেওয়া হয়েছে নিছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রিয়েটিভ প্রোডাকশন হাউস 'ড্রিমমেকার এন্টারটেইনমেন্ট'-এর ব্যানারে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে ওস্তাদ জানু খাঁ ও মাসুদ করিমের নতুন মৌলিক মিউজিক ভিডিও "আলো আঁধারি"। উপমহাদেশের বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ওস্তাদ জানু খাঁর সুমধুর কণ্ঠে গাওয়া এ গানটির কথা, সুর ও সিনেমাটিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন শিল্পী ও নির্মাতা মাসুদ করিম।বর্তমান দ্রুতগতির বাণিজ্যিক গানের ভিড়ে "আলো আঁধারি" শ্রোতাদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ক্লাসিক্যাল ও আত্মোপলব্ধির এক গভীর মেলোডিয়াসের আবহে । সম্পর্কের জটিল টানাপোড়েন, মনের ভেতরের না-বলা বেদনা এবং মানুষের জীবনের আলো ও আঁধারের লুকোচুরি খেলাকে কেন্দ্র করে গানটি সাজানো হয়েছে ।গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার ও নির্মাতা মাসুদ করিম বলেন, সম্পর্কের আলো-আঁধারি ও নীরব ভুল বোঝাবুঝির মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন থেকেই গানটির জন্ম। ওস্তাদ জানু খাঁর কালজয়ী গায়কী এতে এক অনন্য পূর্ণতা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের ভিজ্যুয়াল ও সিনেমাটোগ্রাফির মাধ্যমে নির্মিত এই মিউজিক ভিডিওটিতে একাকীত্ব ও সম্পর্কের অন্তর্লীন দ্বন্দ্ব অত্যন্ত শৈল্পিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
চলতি বছরের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার কোনো চীনা বা ক্যারিবীয় নারী লেখকের হাতে উঠতে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন সাহিত্য সমালোচকেরা। ঐতিহাসিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বের পুরুষ লেখকদের আধিক্য থাকা এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে আরও বৈচিত্র্য আনার ধারাবাহিকতায় এবারও তেমন সিদ্ধান্ত দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রতিবছরের মতো নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের কোনো প্রকাশ্য সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয় না। পুরস্কার প্রদানকারী ১৮ সদস্যের সুইডিশ একাডেমির মনোনয়ন ও অভ্যন্তরীণ আলোচনা দীর্ঘ ৫০ বছর গোপন রাখা হয়। ফলে নাম ঘোষণার আগে প্রতিবারই স্টকহোমের সাহিত্যাঙ্গনে সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। আগামী বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় (গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১১টা) এবারের নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।এবারের আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন অ্যান্টিগুয়া-আমেরিকান লেখক জ্যামাইকা কিনকেইড (৭৭)। ক্যারিবীয় সংস্কৃতি, পারিবারিক সম্পর্ক, পরিচয়, ঔপনিবেশিকতা ও বর্ণবৈষম্য নিয়ে লেখার জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই প্রশংসিত। অন্যদিকে, চীনের পরীক্ষাধর্মী লেখক কান শুয়েকেও শক্তিশালী দাবিদার মনে করা হচ্ছে, যাঁর লেখার ঢং প্রখ্যাত সাহিত্যিক ফ্রানৎস কাফকার সঙ্গে তুলনা করা হয়।সুইডেনের প্রভাবশালী দৈনিক 'ডাগেনস নিহেটার'-এর সংস্কৃতি সম্পাদক বিওর্ন উইমান ও 'এক্সপ্রেসেন'-এর সাহিত্য সমালোচক ভিক্টর মালম এএফপিকে জানান, জ্যামাইকা কিনকেইডের এই পুরস্কার পাওয়ার সময় এসেছে। তাঁর ১৯৯০ সালের বিখ্যাত উপন্যাস 'লুসি'র মতো সাহিত্যকর্ম নোবেল পাওয়ার স্পষ্ট যোগ্যতা রাখে।উল্লেখ্য, ১৯০১ সালে চালুর পর থেকে এ পর্যন্ত নোবেল সাহিত্য পুরস্কার পাওয়া ১২২ জন বিজয়ীর মধ্যে নারী মাত্র ১৮ জন। গত বছর হাঙ্গেরির পুরুষ লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাইকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের সংকট কাটিয়ে ওঠার পর থেকে প্রতি দুই বছর পরপর একজন নারী লেখককে নোবেল দেওয়ার একটি প্রবণতা দেখা গেছে। সেই হিসেবে এবারও কোনো নারী লেখকের নোবেল পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখছেন বোদ্ধারা। তবে সুইডিশ একাডেমি বারবারই বলে আসছে, লিঙ্গ বা আঞ্চলিক পরিচয় নয়—মানসম্পন্ন সাহিত্যকর্মই তাদের একমাত্র বিবেচ্য।
নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ডকুমেন্টারি ফিল্ম ‘এয়ার ফোর্স এলিট: থান্ডারবার্ডস’। এতে দেখা যাবে মার্কিন বিমান বাহিনীর থান্ডারবার্ডস ফ্লাইট স্কোয়াড্রনের ভেতরের দৃশ্য। ডকুমেন্টরিটি নির্মাণ করেছেন ম্যাট উইলকক্স।বিঞ্জে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘নিষিদ্ধ বাসর’। এটি পরিচালনা করেছেন নুরুল আলম আতিক। এতে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, মনোজ প্রামাণিক, শিল্পী সরকার অপু প্রমুখ।বঙ্গতে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘টাকার মেশিন’। নির্মাণ করেছেন কামরুল জিন্নাহ। এতে অভিনয় করেছেন রাকিব হোসেইন ইভন, অশোক বেপারী, মোমেনা চৌধুরী, আরফান মৃধা শিবলু, ইমেল হক প্রমুখ। হইচইতে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘বিষহরি’। এটি নির্মাণ করেন সৃজিত রয়। এতে অভিনয় করেন সোলাঙ্কি রয়, রোহান ভট্টাচার্য, শঙ্কর চক্রবর্তী, কৌশিক রয় প্রমুখ।আইস্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে নাটক ‘দূর্ঘটনা কবলিত স্বামী’। এটি পরিচালনা করেছেন জাকিউল ইসলাম রিপন। এতে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ ও সাফা কবির প্রমুখ।
সারা বিশ্বই এখন অবরুদ্ধ গাজার প্রতিদিনের ছবি দেখতে পাচ্ছে। গাজাবাসীর বর্তমান দুর্দশাগ্রস্ত সাম্প্রতিক সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে ধারণা আগামই তুলে ধরেছিলেন জমজ দু’ভাই টারজান নাসের ও আরব নাসের। ২০০৭ সালের পটভূমিতে নির্মিত একটি অপরাধ থ্রিলার হুবহু বর্তমানের চিত্র তুলে ধরেছে- এটাই সিনেমার সার্থকতা। দোকানের মালিক ওসামা এবং উন্নত জীবনের স্বপ্নে বিভোর ইয়াহিয়ার জীবনযন্ত্রণাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে সিনেমার গল্প। কিন্তু হাসাস ও দখলদার ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দ্বন্দ্বে ভেঙে চুরমার হয় ইয়াহিয়ার মতো হাজারো গাজাবাসীর স্বপ্ন। আন সার্টেইন রিগার্ড ক্যাটাগরিতে সিনেমাটি প্রদর্শিত হয় উৎসবে।আয়েশা ক্যান’ট ফ্লাই অ্যাওয়ে